শুক্রবার ২০ জুলাই, ২০১৮, ৫ শ্রাবণ, ১৪২৫, ৫ জিলক্বদ, ১৪৩৯

‘অর্থ মন্ত্রণালয়ে নেতৃত্বমূলক ভূমিকায় বড় ঘাটতি রয়েছে’

জানুয়ারি ১৩, ২০১৮ | ৭:৪৭ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: অর্থ মন্ত্রণালয়ে নেতৃত্বমূলক ভূমিকার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে শনিবার সিপিডি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০১৮-২০১৯ প্রথম অন্তর্বতী পর্যালোচনা’ শীর্ষক প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরতেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সিপিডি।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয়ে নেতৃত্বমূলক ভূমিকার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। ঘাটতিগুলো তিন জায়গায়। প্রথমত, সংস্কারের উদ্যমের অভাব। দ্বিতীয়ত, আর্থিক খাতগুলোকে যে সংস্থাগুলোর তদারকি করার কথা তাদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব। তৃতীয়ত, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও অত্যন্ত দুর্বল।

তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি অর্থনৈতিক বা অর্থনীতি সম্পর্কিত বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে অর্থমন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেখাতে পারেনি। অনেকক্ষেত্রে উপর থেকে যে সিদ্ধান্ত এসেছে সেটা যুক্তিযুক্ত না হলেও কার্যকর করেছে।’

দেবপ্রিয় বলেন, ‘ব্যাংকে যে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে সেটা ১০১৮ সালে যে নিরসন হবে আমরা এর কোনো লক্ষণও দেখতে পাচ্ছি না। আমরা দেখছি ব্যক্তিখাতের ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাচারের ঘটনাও ঘটছে। ব্যাংকি খাত দেখলে পরিষ্কার বোঝা যায় সরকার এখন সংস্করে আগ্রহী নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখতি পাচ্ছি উল্টো একই পরিবারের ২ জনের পরিবর্তে ৪ জনকে ব্যাংকের পরিচালক নিয়োগের সুযোগ দিয়েছে সরকার। এতে ব্যাংক হয়ে উঠছে পরিবারকেন্দ্রিক।’

সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বাংলাদেশে ব্যাংক ব্যবস্থায় আমরা দেখছি প্রভাবশালীদের সংযোগই অনিয়ম হচ্ছে। বলা যায় এক প্রকার লুটপাট চলছে।’

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান, গবেষণা পরিচালক খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান।

সারাবাংলা/ইএইচটি/আইজেকে

‘অর্থ মন্ত্রণালয়ে নেতৃত্বমূলক ভূমিকায় বড় ঘাটতি রয়েছে’
‘অর্থ মন্ত্রণালয়ে নেতৃত্বমূলক ভূমিকায় বড় ঘাটতি রয়েছে’