বুধবার ১৯শে ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং , ৫ই পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১০ই রবিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী

‘আমার বোন কবরে, খুনি কেন বাহিরে’

ডিসেম্বর ৫, ২০১৮ | ১০:০২ অপরাহ্ণ

।। সারাবাংলা ডেস্ক ।।

চট্টগ্রাম ব্যুরো: ‘আমার বোন কবরে, খুনি কেন বাহিরে?’- এমন মর্মস্পর্শী বিভিন্ন স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড বুকে নিয়ে অরিত্রির মৃত্যুর বিচার চাইতে রাস্তায় দাঁড়িয়েছিলেন একদল শিক্ষার্থী।

বুধবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধনে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘অরিত্রীর মৃত্যু আত্মহত্যা নয়, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। আর এই হত্যাকাণ্ডের দায় বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ও স্কুল কর্তৃপক্ষের। যে শিক্ষাব্যবস্থা সন্তানের সম্মুখে তার পিতা-মাতাকে অপমান করে, সে শিক্ষাব্যবস্থা কীভাবে শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা দেবে? শুধু অরিত্রীই নয়, এ শিক্ষাব্যবস্থায় প্রতিনিয়ত প্রতিটি শিক্ষার্থীদের স্বপ্নগুলোর মৃত্যু হচ্ছে।’

মানববন্ধন থেকে ভিখারুননিসা নূন স্কুলের পরিচালনা কমিটি বাতিল ও দায়ী শিক্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানানো হয়।

শিক্ষার্থী শরীফুল কাদের রাকিবের সঞ্চালনায় মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন শাহরিয়ার রাফি, কাজী শফিকুল রাব্বি, নাইমুন হাসান রাহাত ও রক্তবীজ অর্ক।

শাহরিয়ার রাফি সারাবাংলাকে বলেন, মানববন্ধন শুরুর পর পুলিশ এসে বাধা দেয়। তবে আমরা বাধা উপেক্ষা করে কর্মসূচি শেষ করেছি।

গত সোমবার ঢাকার শান্তিনগরে নিজের বাসায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন ভিকারুননিসা নূন স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারী।

স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, অরিত্রী আগের দিন রোববার পরীক্ষায় মোবাইল ফোনে নকল নিয়ে টেবিলে রেখে লিখছিলেন। অন্যদিকে স্বজনদের দাবি, নকল করেননি অরিত্রী।

এরপর সোমবার অরিত্রীর বাবা-মাকে ডেকে নেওয়া হয় স্কুলে। তখন অরিত্রীর সামনে তার বাবা-মাকে অপমান করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

অরিত্রীর স্বজনরা বলছেন, বাবা-মার ‘অপমান সইতে না পেরে’ ঘরে ফিরে আত্মহত্যা করেন এই কিশোরী।

সারাবাংলা/আরডি/এমআই

Tags:

‘আমার বোন কবরে, খুনি কেন বাহিরে’
‘আমার বোন কবরে, খুনি কেন বাহিরে’
‘আমার বোন কবরে, খুনি কেন বাহিরে’