সোমবার ১৮ জুন, ২০১৮, ৪ আষাঢ়, ১৪২৫, ২ শাওয়াল, ১৪৩৯

‘এটা রুপুর চলে যাওয়ার বয়স না’

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৮ | ৫:৪২ অপরাহ্ণ

জনপ্রিয় সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক আলী আকবর রুপু আর নেই। আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন সুরের এই জাদুকর। তার এই হঠাৎ চলে যাওয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে সংগীতাঙ্গনে। দীর্ঘ দিন যাদের সাথে কাজ করেছেন তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় তারা শোকে মূহ্যমান। কেউ কেউ কথাই বলতে পারেননি।

আলম খান

স্বাধীনতার পর পরই আমাদের সঙ্গে কাজ শুরু করে আলী আকবর রুপু। আমাকে চাচা বলে ডাকতো। সংগীত পরিবারেই বেড়ে উঠেছে রুপু। স্বনামধন্য সুরকার মনসুর আলী তার বাবা। সংগীত পরিচালক ধীর আলীর আত্মীয়, আলাউদ্দিন আলী’র ভাগিনা। ভালো অ্যকুইস্টিক গিটার বাজাতো, কি-বোর্ড বাজাতো।

কাজ করতে করতে দেখলাম ও সব ধরনের গানেই পারদর্শী হয়ে উঠছে। ফোক, আধুনিক অনেকসময় রক ধাঁচের গানও করেছে সে। সংগীত নিয়ে আগ্রহ ছিলো ওর। আমাকে মাঝে মাঝেই বলতো ‘চাচা এটা কেমন? ওটা কেমন? সুরটা কেমন হয়েছে?

ভালো মানুষ ছিল রুপু। কখনো বাজে আচরণ, কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে দেখিনি। অন্যরাও ভালো বলতো রুপুর ব্যাপারে।

হানিফ সংকেত

আমার সঙ্গে রুপুর বন্ধুত্ব ৩০ বছরের। সেই বন্ধুকে শেষ বিদায়ের জন্য প্রস্তুত করছি। কত স্মৃতির কথা বলবো? কথাতো বলে শেষ করা যাবেনা।

‘ইত্যাদি’তে রুপুর অবদানের কথা সবার জানা। অনুষ্ঠানটিতে প্রচার হওয়া অধিকাংশ গান রুপুর সুর করা। শুধু গানের জন্যই সে আমার বন্ধু নয়। রুপু একজন অসাধারন ভালো মানুষ। আমি আমার ভালো একজন বন্ধুকে হারালাম।

সাবিনা ইয়াসমিন

দুপুরের খাবার খাওয়ার কিছু আগে খবরটা পেয়েছি। এখন রুপুর সম্পর্কে কিছু বলতে পারবো না। আমি সেই মানসিক অবস্থায় নেই।

এন্ড্রু কিশোর

রুপুর সঙ্গে আমার পরিচয় আজ থেকে ৪১ বছর আগে, ১৯৭৭ সালে। চলচ্চিত্র থেকে শুরু করে আধুনিক সব ধরণের গান করেছি তার সুরে। চলচ্চিত্রে রুপুর প্রথম সুর করা গানের কণ্ঠশিল্পী ছিলাম আমি। তারপর কত পথচলা। কত গল্প। কত কত স্মৃতি। শুধু এটুকু বলি, এটা রুপুর বিদায়ের বয়স না।

আলী আকবর রুপু আর নেই

সারাবাংলা/পিএ/পিএম

Tags:

‘এটা রুপুর চলে যাওয়ার বয়স না’
‘এটা রুপুর চলে যাওয়ার বয়স না’