মঙ্গলবার ১১ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং , ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৩রা রবিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী

কন্ট্রোলরুমের ভুলের কারণে দুর্ঘটনা: ইউএস-বাংলা

মার্চ ১২, ২০১৮ | ৭:১২ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ জানিয়েছেন, কন্ট্রোলরুমের ভুলের কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে। যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না।

সোমবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারায় ইউএস-বাংলার করপোরেট অফিসে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তারা একেকবার একেক নির্দেশনা দিচ্ছিল, যে কারণে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। আমাদের পাইলট আবিদ সুলতান বিমান বাহিনীতে ছিলেন। ১৭ হাজার ঘণ্টা ফ্লাই করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) থেকে পাইলটকে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়ায় টেকনিক্যাল গাফিলতি দেখা যাচ্ছে। আমার মনে হয় না, আমাদের পক্ষ থেকে কোনো গাফিলতি ছিল। ইতোমধ্যে কন্ট্রোল রুম এবং পাইলটের কনভারসেশন ইউটিউবে এসেছে।

ইমরান আসিফ বলেন, দুর্ঘটনায় মোট আটজন মারা গেছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। তবে এই আটজনই বাংলাদেশি কি না সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত না। ১৬ জন জীবিত রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি, তবে তাদের পরিচয় আমরা জানতে পারিনি।

তিনি বলেন, উড়োজাহাজটি উড্ডয়নের দেড় ঘণ্টা পর আমরা দুর্ঘটনার খবর পাই। ওই ফ্লাইটে মোট ৩২ জন বাংলাদেশি ছিলেন, নেপালের ছিলেন ৩৩ জন এবং চীন ও মালয়েশিয়ার দুই জন ছিলেন ফ্লাইটে। এছাড়া দুইজন পাইলট, দুইজন ক্রু ও দুইজন কেবিন ক্রু ছিলেন। ফ্লাইটে প্রাপ্ত বয়স্ক ছিলেন ৬৫ জন এবং দুই শিশু ছিল।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, উড়োজাহাজে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না। এটা দুর্ঘটনা।

তিনি বলেন, গত তিন বছরে ইউএস-বাংলা ৩৬ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করেছে কোনো ত্রুটি ছাড়া। এই ফ্লাইটটিতেও কোনো ত্রুটি ছিল না। এটি একটি দুর্ঘটনা। নেপালের সিভিল এভিয়েশন দুর্ঘটনার কারণ জানতে কাজ করছে। আর ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়েছে।

ইউএস-বাংলা ইতোমধ্যে একটি হটলাইন চালু করেছে। যাত্রীদের স্বজনরা প্রতিমুহূর্তের খবর পাচ্ছে।

সারাবাংলা/জেএ/এসআর/এটি

কন্ট্রোলরুমের ভুলের কারণে দুর্ঘটনা: ইউএস-বাংলা
কন্ট্রোলরুমের ভুলের কারণে দুর্ঘটনা: ইউএস-বাংলা
কন্ট্রোলরুমের ভুলের কারণে দুর্ঘটনা: ইউএস-বাংলা