মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারি, ২০১৮, ১০ মাঘ, ১৪২৪, ৫ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯

Live Score

খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি চলছে

জানুয়ারি ১১, ২০১৮ | ১২:২৭ অপরাহ্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে নবম দিনের মত যুক্তিতর্কের শুনানি শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫ মিনিটে দুই মামলার হাজিরা দিতে আদালতে উপস্থিত হন।

অ্যাডভোকেট জমির উদ্দিন সরকার ১১টা ১০ মিনিট এ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় যুক্তিতর্ক শুরু করেছেন।

অ্যাডভোকেট জমির উদ্দিন সরকার বলেন, খালেদাজিয়া বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ বানোয়াট ভাবে মামলাটি করা হয়। শেখ হাসিনার কাছে যাদুর কাঠি আছে। তার বেলায় মামলা গুলো গায়েব হয়ে গেলো আর আমার ক্ষেত্রে নতুন নতুন মামলা দায়ের হচ্ছে।

ঢাকার বিশেষ জজ ড. মো.আখতারুজ্জামানের আদালতে খালেদার পক্ষে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুর রেজ্জাক খান যুক্তিতর্ক তুলে ধরছেন।

রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী উপস্থিত আছেন, দুদকের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজল, মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু।

খালেদা পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে উপস্থিত আছেন, অ্যাডভোকেট আব্দুর রেজ্জাক খান, খন্দকার মাহবুব হোসেন, সুপ্রিমকোর্ট বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, সেক্রেটারি মাহবুব উদ্দিন খোকন, সানাউল্লাহ মিয়াসহ আরও অনেকে।

খালেদা জিয়া ছাড়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় অভিযুক্ত অপর তিন আসামি হলেন- খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। হারিছ চৌধুরী মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া ছাড়া অপর পাঁচ আসামি হলেন- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও খালেদার বড় ছেলে তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

আসামিদের মধ্যে ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান মামলার শুরু থেকেই পলাতক। বাকিরা জামিনে আছেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় এ মামলটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

সারাবাংলা/এআই/এমএ