মঙ্গলবার ২৩শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং , ৮ই কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১২ই সফর, ১৪৪০ হিজরী

জাদুকরি রূপান্তরের রূপকার শেখ হাসিনা: ওবায়দুল কাদের

মে ১৬, ২০১৮ | ৯:৩০ অপরাহ্ণ

।। সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট ।।

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশকে দারিদ্র্যের রোল মডেল থেকে উন্নয়নের রোল মডেলের জাদুকরি রূপান্তরের কারিগর হিসেবে অভিহিত করেছেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘যে দেশকে বিশ্ব দারিদ্র্যের রোল মডেল ভাবত, সেই বাংলাদেশ এখন সারাবিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। এই ম্যাজিক্যাল ট্রান্সফরমেশনের আর্কিটেক্ট বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। ১৯৮১ সালের ১৭ মে তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিল আওয়ামী রাজনীতির টার্নিং পয়েন্ট।’

রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বুধবার (১৬ মে) বিকেলে স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে টানা মেয়াদে ক্ষমতাসীন সরকারের নেতৃত্বে উন্নয়ন, অর্জন ও সাফল্যের পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু স্বাধীন দেশ দিয়ে গেছেন। আর দেশের এখনকার এই অর্জন-উন্নয়নের আর্কিটেক্ট শেখ হাসিনা। ৭৫-পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার মতো সৎ রাজনীতিক, সৎ রাষ্ট্রনায়ক বাংলাদেশে আসেনি।’

সম্প্রতি টাইম ম্যাগাজিনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা থেকে শেখ হাসিনার পাওয়া স্বীকৃতির উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, আজকের পৃথিবীর সেরা ১০ জন গ্রেট লিডারের একজন হিসেবে শেখ হাসিনাকে গণ্য করা হয়। সেটা আমাদের জন্য গৌরবের। তার উচ্চতা ঈর্ষণীয়। শেখ হাসিনা তার সক্ষমতার চেয়েও দেশকে বেশি দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি ও তার দোসররা আওয়ামী লীগকে ভয় পায় না, তারা ভয় শেখ হাসিনাকে। এই মুহূর্তে শেখ হাসিনার উন্নয়ন-অর্জনে অপ্রতিরোধ্য যে অগ্রযাত্রা, তাতে বিএনপির মতো বিরোধী দল সংকুচিত হয়ে গেছে। তাদের অস্তিত্বের সংকট দেখা দিয়েছে। যে কারণে তারা চায়, আর যে কেউ নির্বাচনে আসুক, শেখ হাসিনা যেন না আসে।’

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে পুনরুত্থানের নবসূচনা আখ্যায়িত করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘১৯৭৫ সালে বাংলাদেশে অনেকেই ভেবেছিল, বঙ্গবন্ধুর সাথে সাথে আওয়ামী লীগও শেষ। সেই আওয়ামী লীগেও ছিল হতাশা, ছিল বিপর্যয়। সেই সময়ে সৌভাগ্যের বরকন্যা হিসেবে যদি শেখ হাসিনা না আসতেন, কী যে হতো এই জাতির জীবনে! বঙ্গবন্ধুকন্যার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিল আমাদের রাজনীতিতে টার্নিং পয়েন্ট।’

মুখস্থ রাজনীতি করে কোনো লাভ নেই উল্লেখ করে দলের নেতাদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অনেককে দেখি, হোমওয়ার্ক না করে টকশোতে যান। এর মাধ্যমে দলকে ছোট করা হয়। আপনি একটা জায়গা আটকে গেলেন, আপনি তো আওয়ামী লীগকে আটকে দিলেন। আওয়ামী লীগের উচ্চতাকে খাটো করলেন। কাজেই যারা যেখানেই কিছু প্রেজেন্ট করবেন, পড়ালেখা করে হোমওয়ার্ক করে যাবেন, এটা সবার কাছে আমার অনুরোধ।’

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর, আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ, সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, মতিউর রহমান মতি, তাপস কুমার পাল, কাজী শহিদুল্লাহ লিটনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা/এনআর/টিআর

জাদুকরি রূপান্তরের রূপকার শেখ হাসিনা: ওবায়দুল কাদের
জাদুকরি রূপান্তরের রূপকার শেখ হাসিনা: ওবায়দুল কাদের
জাদুকরি রূপান্তরের রূপকার শেখ হাসিনা: ওবায়দুল কাদের