শুক্রবার ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮, ৬ মাঘ, ১৪২৪, ১ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯

Live Score

ঢাবি প্রশ্নফাঁস: দোষ স্বীকার করা পাঁচ আসামি জামিনে মুক্ত

জানুয়ারি ১১, ২০১৮ | ৯:৫৩ অপরাহ্ণ

আরিফুল ইসলাম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের মামলায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেওয়া আসামিরা একে এক জামিনে মুক্তি পাচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৫ আসামি জামিনে মুক্তি পেয়েছে। জামিন প্রাপ্তরা হলো রাকিবুল হাসান ইছানী, সুজাউর রহমান সানা, আজিজুল হাকিম, ইশরাক হোসেন রাফি ও তানভির আহমেদ মল্লিক।

সব শেষ বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয় রাকিবুল হাসান ইছানী মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) জামিনে মুক্তি পেয়েছে। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. কামরুল হোসেন মোল্লা ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এছাড়া আসামিদের মধ্যে সানা গত ৩১ ডিসেম্বর ঢাকা সিএমএম আদালত থেকে জামিন পান। আজিজুল মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে এবং মল্লিক ও রাফি শিশু আদালত থেকে জামিন পায়।

মামলার নথি অনুযায়ী মামলাটিতে এ পর্যন্ত প্রায় ২৬ জন আসামি গ্রেফতার হয়। আসামিদের মধ্যে রাকিবুলসহ ১১ জন দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় আদালতে।

এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর  রকিবুলসহ ৩ আসামিকে নাটোর ও রাজশাহী থেকে গ্রেফতার করা হয়। ওইদিনই ঢাকা সিএমএম আদালত তাদের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ১৫ ডিসেম্বর ওই ৩ জনসহ মোট ৫ আসামি আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

২০১৭ সালের ২০ অক্টোবর সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মাদ আশরাফুজ্জামান বাদী হয়ে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ওই মামলাটি করেন। মামলায় ঢাবি’র কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও ঢাবি’র প্রথম বর্ষের ছাত্র মহিউদ্দিন রানা, আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ইশরাক হোসেন রাফিসহ অজ্ঞতানামাদের আসামি করা হয়। মামলার সময় আসামিদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসসহ বিভিন্ন ধরণের আলামত জব্দ করা হয়।

মামলাটি দায়ের করা হয় ২০০৬ সালের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৬৩ ধারা এবং ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ৯(খ) ধারা মতে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময় আসামিরা ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এরপর ঢাবি’তে ভর্তি হওয়ার পাশাপাশি ভর্তিচ্ছু ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে প্রশ্নফাঁস করতো।

সারাবাংলা/এআই/এনএস