সোমবার ২২শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং , ৭ই কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১২ই সফর, ১৪৪০ হিজরী

তারেকের যাবজ্জীবন, বাবর-পিন্টুর ফাঁসি

অক্টোবর ১০, ২০১৮ | ১২:০১ অপরাহ্ণ

।। স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ।।

ঢাকা: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া দুই মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান ও খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলা দুটিতে বিএনপি-জামায়াত সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া বাকি ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। বিস্ফোরক ও দণ্ডবিধির এই দুই মামলায়  ৫২ আসামির মধ্যে তিন জনের অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়।

বুধবার (১০ অক্টোবর) পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে স্থাপিত ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

 

এদিন সকাল ১১টা ২০ মিনিটে প্রথমেই আসামি লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামিদের আদালতে উপস্থিত করার পর সাংবাদিকদেরকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় আদালতে। এরপর ১১টা ৩৭ মিনিটে বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন এজলাসে ওঠেন। এ সময় মামলার রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন এবং রায় ঘোষণার জন্য আদালতের কাছে প্রার্থনা করেন।

রায় ঘোষণার জন্য বিচারক বক্তব্য শুরু করতেই ১১টা ৪০ মিনিটে বিদ্যুৎ চলে যায়। ফলে আদালতে উপস্থিত আইনজীবী, সাংবাদিক ও আসামিদের বিচারকের বক্তব্য শুনতে বেশ কষ্ট পোহাতে হয়। এ মামলার দীর্ঘ শুনানিতে সহযোগিতা করার জন্য উভয়পক্ষের আইনজীবীদের ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল ফোনের টর্চ জ্বালিয়েই রায় পড়া শুরু করেন আদালত। মূল রায় পড়া শেষের দিকে, ১২টা ৩ মিনিটে বিদ্যুৎ আসে। মিনিট পাঁচেক বিদ্যুৎ থাকার পর ফের ১২টা ৮ মিনিটে বিদ্যুৎ চলে যায়। পরে আদালত পর্যবেক্ষণ দিয়ে মামলার রায় ঘোষণা শেষ করেন। অবশেষে ১২টা ১৫ মিনিটে বিদ্যুৎ চলে আসে।

এই মামলায় গ্রেনেড নিক্ষেপ ও বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এবং এই অপরাধে সহায়তা করে হত্যার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডের সাজা পাওয়া আসামিরা হলেন— আলহাজ্ব মাওলানা মো. তাজউদ্দিন, মো. লুৎফুজ্জামান বাবর, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহিম, মো. আব্দুস সালাম পিন্টু, হানিফ পরিবহনের মালিক মো. হানিফ, মাওলানা আব্দুস সালাম, মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ ভাট ওরফে মো. ইউসুফ ভাট, আব্দুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ ওরফে জি. এম, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে অভি, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহম্মেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে কাজা ওরফে আবু জানদাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ, মো. রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ ওরফে খালিদ সাইফুল্লাহ ওরফে শামিম ওরফে রাশেদ ও মো. উজ্জল ওরফে রতন। এর মধ্যে মওলানা মো. তাজউদ্দিন পলাতক, বাকি সবাই আদালতে হাজির ছিলেন।

এই ১৯ জনকে ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনের (সংশোধনী-২০০২) ৩ ও ৬ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। রায়ে বলা হয়েছে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের গলায় ফাঁসি ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হলো।

রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ পাওয়া আসামিরা হলেন— তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়া (পলাতক), হারিছ চৌধুরী (পলাতক), শাহাদাৎ উল্লাহ ওরফে জুয়েল (উপস্থিত), মাওলানা আব্দুর রউফ ওরফে আবু ওমর আবু হোমাইরা ওরফে পীর সাহেব (উপস্থিত), মাওলানা সাব্বির আহমেদ ওরফে আব্দুল হান্নান সাব্বির (উপস্থিত), আরিফ হাসান ওরফে সুমন ওরফে আব্দুর রাজ্জাক (উপস্থিত), হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া (উপস্থিত), আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার (উপস্থিত), মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ (উপস্থিত), মুহিবুল মুত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন (পলাতক), আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন (পলাতক), লিটন ওরফে মাওলানা লিটন (পলাতক), মো. খলিল (পলাতক), জাহাঙ্গীর আলম বদর (পলাতক), মো. ইকবাল (পলাতক), কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (পলাতক), মুফতি শফিকুর রহমান (পলাতক), মুফতি আব্দুল হাই (পলাতক) ও রাতুল আহমেদ বাবু ওরফে রাতুল বাবু (পলাতক)।

গ্রেনেড হামলা

রায়ে বলা হয়, গ্রেনেড নিক্ষেপ ও বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এবং এই অপরাধে সহায়তা করে হত্যার অভিযোগে ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনের (সংশোধনী-২০০২) ৩ ও ৬ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় এদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হলো। জরিমানা না দিলে আরও একবছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

এছাড়া মামলার জীবিত বাকি ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সাবেক আইজিপি (অব.) খোদা বক্স চৌধুরী, এসপি (অব.) রুহুল আমিন, এএসপি (অব.) আব্দুর রশিদ, এএসপি (অব.) মুন্সী আতিকুর রহমানকে দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারায় তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে প্রত্যেকে।

অন্যদিকে, সাবেক আইজিপি আশরাফুল হুদা, শহুদুল হক, লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক, লে. কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ারদার, মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন, পুলিশ সুপার ও সাবেক ডিসি (পূর্ব) ওবায়দুর রহমান খান এবং সাবেক ডিসি (দক্ষিণ খান) সাঈদ হাসানকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাদের।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের হাজত বাসের সময় ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৫-এ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত দণ্ডাদেশ থেকে বাদ যাবে বলেও আদেশ দেন আদালত। একইসঙ্গে পালিয়ে থাকা দণ্ড পাওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিরও আদেশ দেওয়া হয়।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, যে আসামিরা পালিয়ে আছেন, তারা যেদিন আত্মসমর্পণ করবেন বা যেদিন তাদের গ্রেফতার করা হবে, সেদিন থেকেই তাদের দণ্ডাদেশ কার্যকর হবে।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা চাইলে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আইন-২০০২-এর ১৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট ডিভিশনে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। এছাড়া মামলায় জব্দ করা আলামত পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সংরক্ষণ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজলসহ রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো কোর্ট রুম সাংবাদিক ও আইন‍শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।

ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ এই গ্রেনেড হামলার ১৪ বছর এবং এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রথম অভিযোগপত্র দাখিলের ১০ বছর পর রায় ঘোষণা হলো।

এর আগে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়। যুক্তিতর্ক শেষে রাষ্ট্রপক্ষ সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি এবং আসামিপক্ষ সব আসামির বেকসুর খালাস দাবি করে। সেদিনই এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য তারিখ ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল। মামলাটি প্রমাণে রাষ্ট্রপক্ষে ৫১১ জনের মধ্যে ২২৫ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার মোট আসামি ছিলেন ৫২ জন। এই মামলার বিচার চলাকালে আসামি জামায়াত নেতা আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদের মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় এবং হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নান ও শরিফ শাহেদুল ইসলাম বিপুলের ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর হামলার মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় তাদের এই মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বর্তমানে মামলা দু’টিতে আসামির সংখ্যা ৪৯ জন।

এই মামলায় মোট ৩১ জন আসামি কারাগারে থাকলেও বাকি ১৮ জন পলাতক। আর আসামিদের মধ্যে আট জন জামিনে থাকলেও রায়ের দিন নির্ধারণ করার আগে তাদের জামিন বাতিল করে কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। রায় ঘোষণার সময় পলাতক ১৮ জন ছাড়া বাকি ৩১ আসামির সবাইকে আদালতে হাজির করা হয়।

এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ২৫ কার্যদিবস পদ্ধতিগত বিষয়ের ওপর যুক্তি উপস্থাপন করেন, যা চলতি বছর ১ জানুয়ারি শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপনে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ৩৮ আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং ১১ সরকারি কর্মকর্তার সাত বছর কারাদণ্ড দাবি করেন।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানা গেছে, এ পর্যন্ত মোট ১১৯ কার্যদিবস যুক্তি উপস্থান হয়েছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ নিয়েছে ২৯ কার্যদিবস আর আসামিপক্ষ নিয়েছে ৯০ কার্যদিবস।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের জনসভায় সন্ত্রাসীরা ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালায়। হামলায় আওয়ামী লীগের ওই সময়ের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন প্রাণ হারান। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা ভয়াবহ ওই হামলায় প্রাণে বেঁচে গেলেও শ্রবণশক্তি হারান। আহত হন আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মী।

এ ঘটনায় মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিল ও সাবের হোসেন চৌধুরী বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় পৃথক তিনটি এজাহার দায়ের করেন।

মামলাটিতে ২০০৮ সালের ১১ জুন ২২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রথম চার্জশিট দাখিল করে সিআইডি। ওই বছরের ২৯ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল। ২০০৯ সালের ৯ জুন পর্যন্ত ৬১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

২০০৯ সালের ৩ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। ২০১১ সালের ৩ জুলাই অধিকতর তদন্ত শেষে তারেক রহমানসহ আরও ৩০ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করে সিআইডি। ফলে মোট আসামি দাঁড়ায় ৫২ জনে।

২০১২ সালের ১৮ মার্চ সম্পূরক চার্জশিটের ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের করার পর ফের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। সব মিলিয়ে মামলার রাষ্ট্রপক্ষের মোট ৫১১ জনের মধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন ২২৫ জন জন। গত ৩০ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দকে আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

গত ১২ জুন থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত কারাগারে ও জামিনে থাকা ৩১ অসামির পরীক্ষা শেষে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থন করেন তারা। গত ১২ জুলাই থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত ওই ৩১ আসামির আসামির পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেন ৩১ জন সাক্ষী।

আরও পড়ুন-

রায়ে হতাশ স্বজনেরা
মুফতি হান্নানের সেই জবানবন্দি
রায়ে স্বস্তি অ্যাটর্নি জেনারেলের
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় আজ
২১ আগস্ট মামলার অভিযোগে যা বলা হয়েছে
তারেক নির্দেোষ, তিনি অন্যায় করেননি: আইনজীবী
তারেকের ভাগ্য নির্ধারণ আজ, কী করবে বিএনপি?
গ্রেনেড হামলা: যে নৃশংসতায় নিহত ২৪ (ভিজ্যুয়াল)
‘জ্ঞান ফিরলে দেখি, আমি লাশের ভেতরে শুয়ে আছি’
গ্রেনেড হামলা মামলার রায়, রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা
১৮০০ স্প্লিন্টারে দুর্বিষহ জীবন, দোষীদের ফাঁসি চান মাহবুবা
জজ মিয়া নয়— ‘জালাল’, দুর্ধর্ষ নামের আড়ালে হারায় যে নাম
রায় ঘিরে সতর্ক পুলিশ, নগরবাসীকে আশ্বস্ত করলেন ডিএমপি কমিশনার

সারাবাংলা/এজেডকে/জেএ/এআই/এসএমএন/টিআর/জেডএফ

Tags: , ,

তারেকের যাবজ্জীবন, বাবর-পিন্টুর ফাঁসি
তারেকের যাবজ্জীবন, বাবর-পিন্টুর ফাঁসি
তারেকের যাবজ্জীবন, বাবর-পিন্টুর ফাঁসি