রবিবার ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং , ১২ ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৭ জমাদিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

থাই রাজকুমারীর প্রার্থিতা বাতিল

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯ | ৮:১৮ অপরাহ্ণ

।। আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

আসন্ন নির্বাচনে থাইল্যান্ডের রাজকুমারী উবোলরতনা রাজকন্যা সিরিভাধানা বারনাভাদির প্রার্থিতা বাতিল করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। থাইল্যান্ডের রাজা ও উবোলরতনার বড় ভাই মহা ভাজিরালংকর্ন তার নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্তকে অনুচিত বলে আখ্যায়িত করার পর এমনটা ঘটলো। খবর আল জাজিরার।

প্রায় ৫ বছর পর থাইল্যান্ডে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বহুল প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনে থাই রাকসা চার্ট পার্টি থেকে প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচনে অংশ নিতে চেয়েছিলেন উবোলরতনা। পেয়েছিলেন মনোনয়নও। কিন্তু তার বড় ভাই রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন তার নির্বাচনে অংশগ্রহণের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এটা থাইল্যান্ডের প্রথা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিরোধী।

আরও পড়ুন- নির্বাচনে অংশগ্রহণ রাজকুমারীর, তীব্র সমালোচনা রাজার

বিজ্ঞাপন

রাজার সমালোচনার পরপরই উবোলরতনার সমর্থনে প্রচারণা বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেয় থাই রাকসা চার্ট পার্টি। এর একদিন পরই তার প্রার্থিতা বাতিল করেছে থাই নির্বাচন কমিশন।

সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আসন্ন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে থাইল্যান্ডের নির্বাচন কমিশন। সে তালিকায় নেই উবোলরতনার নাম।

সোমবার নির্বাচন কমিশন বলেন, রাজ পরিবারের সদস্যরা রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিৎ। আর তাই তারা রাজনৈতিক পদে আসীন হতে পারে না।

আরও পড়ুন- প্রধানমন্ত্রী হতে লড়বেন থাই রাজকুমারী!

 

উল্লেখ্য, ১৯৩২ সাল থেকে থাইল্যান্ডে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র বজায় রয়েছে। দেশটির ওপর রাজ পরিবারের রয়েছে ব্যাপক প্রভাব। ১৯৭২ সালে এক মার্কিনীকে বিয়ে করায় উবোলরতনার রাজ সম্মান কেড়ে নেওয়া হয়।

এরপর বিয়ে ভেঙে গেলে তিনি দেশে ফিরে আসেন কিন্তু তাকে তার সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। যদিও থাইল্যান্ডের জনগণ তাকে রাজ পরিবারের সদস্যদের মতোই সম্মান করতেন।

সারাবাংলা/ আরএ

Tags: , ,

থাই রাজকুমারীর প্রার্থিতা বাতিল
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন