রবিবার ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং , ১২ ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৮ জমাদিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

ধূমপান ত্যাগে উৎসাহ দেবে ’কুইট লাইন’

ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৯ | ৭:৩৫ অপরাহ্ণ

।। স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ।।

ঢাকা: স্বেচ্ছায় কেউ তামাক ব্যবহার ও ধূমপান ত্যাগ করতে চাইলে তাদের উৎসাহ ও পরামর্শ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে তথ্য বাতায়ন ‘কুইট লাইন’ চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর পাশাপাশি ধূমপান ও তামাককে নিরুৎসাহিত করতে সমন্বিতভাবে চাহিদা ও সরবরাহ কমানোর উদ্যোগ নিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে যৌথভাবে পদক্ষেপ নিতেও নির্দেশনা দেন তিনি।

বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ‘তামাকের ওপর আরোপিত সারচার্জ ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত কমিটির প্রথম সভায় সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

বিজ্ঞাপন

সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, স্বাস্থ্য, অর্থ, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, স্বাস্থ্য অধিদফতর, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিপ্রায় অনুযায়ী, ২০৪০ সালের মধ্যে তামাক মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ এবং ২০১৯ সাল থেকে ২০২৩ সাল মেয়াদি কর্মপরিকল্পনার খসড়া ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রণয়ন করেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তামাক ও ধূমপান অনেক অসংক্রামক রোগের অন্যতম কারণ। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যানসার, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনিজনিত রোগ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের কারণে জটিল রূপ নেয়। সরকার অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে যেসব কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে সেগুলোকে সফল করতে হলে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার কমানোর ওপর জোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

ধূমপান ও তামাকবিরোধী প্রচার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। তিনি সচিবালয়কে সম্পূর্ণরূপে ধূমপানমুক্ত করতে এর অভ্যন্তরে ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য বিক্রি বন্ধের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

তামাকের ওপর আরোপিত সারচার্জ থেকে কিছু অংশ তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত দুস্থ ও গরিব রোগীদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে ব্যয় করা যায় কি না তা সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করে কার্যকরী উপায় বের করতে কমিটির সদস্যদের আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনের বাস্তবায়নে স্টোকহোল্ডারদের প্রশিক্ষণ ও কর্মশালায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করতে হবে। এই আইনের কঠোর প্রয়োগে সকলের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে হলে এগুলোর ওপর উচ্চ কর ধার্য করতে হবে। পাশাপাশি গণমাধ্যমে তামাকের ক্ষতিকর দিকগুলো জানাতে প্রচার কার্যক্রম বাড়াতে হবে।

সারাবাংলা/জেএ/এটি

ধূমপান ত্যাগে উৎসাহ দেবে ’কুইট লাইন’
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন