মঙ্গলবার ২৩শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং , ৮ই কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪০ হিজরী

নির্বাচনী প্রচারণায় নয়, জেলেই থাকবেন নওয়াজ

জুলাই ১৯, ২০১৮ | ১০:২৩ অপরাহ্ণ

।। আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

বোমা হামলা ও বিক্ষিপ্ত কিছু সহিংসতার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের প্রচারণা চালাচ্ছে দলগুলো। আগামী ২৫ জুলাইয়ের নির্বাচনে প্রধান তিন প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছে, তেহরিক ই ইনসাফ, পাকিস্তান পিপলস পার্টি ও পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)।

তবে নিজ দল ‘পিএমএল-এন’ এর হয়ে নির্বাচনী প্রচরণা অংশগ্রহণ করতে পারছেন না দুর্নীতি মামলায় কারাদন্ড পাওয়া দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। রায়ের বিরুদ্ধে নওয়াজের আপিল আবেদনের শুনানি চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাইকোর্টের দুই সদস্যের বেঞ্চ। ফলে নির্বাচনের আগে তার কারা মুক্তি ঘটছে না।

নওয়াজ শরিফ ও তার মেয়ে মরিয়মক বর্তমানে রাওয়ালপিণ্ডির আদিয়ালা কারাগারে অন্তরীণ আছেন। জেলখানায় নওয়াজকে খুবই ‘শোচনীয়’ অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তার দলের নেতারা। নওয়াজ শরিফের ভাই ও পিএমএল-এন এর বর্তমান প্রধান শাহবাজ শরিফ অভিযোগ করে বলেন, তার ভাইকে জেলখানার প্রথম রাতটি মেঝেতে শুয়ে কাটাতে হয়েছে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেলে নওয়াজ শরিফ, মেয়ে মরিয়ম, জামাতা সফদার ও আইনজীবীদের মধ্যকার একটি নির্ধারিত সাক্ষাৎকার বাতিল করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। তবে জেলখানার বাইরে ভিড় জমাতে দেখা গেছে কয়েকশ নওয়াজ শরিফ সমর্থককে। তারা নওয়াজ শরিফকে সিংহের সাথে তুলনা করে শ্লোগান দিতে থাকে। দলটির মুখপাত্র পারভেজ রশিদ আশা প্রকাশ করে বলেন, সুষ্ঠ নির্বাচন হলে তারা নির্বাচনে জিতবেন।

তেহরিক ই ইনসাফের প্রধান ইমরান খান এবারের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। তাকে ইঙ্গিত করে পাকিস্তান পিপলস পার্টির বিলওয়াল ভু্ট্টো জারদারি পাঞ্চাবের এক নির্বাচনী প্রচারণায় বলেন, ইমরান খান এবারের নির্বাচনে রাষ্ট্রের কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা পাবেন। তার মন্তব্য  ‘ভুল নয়’ এমনটাই ভাবছেন অনেকে। পাকিস্তানে নির্বাচনের ক্ষেত্রে পাঞ্জাব প্রদেশের ফলাফলকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। এবার সেখানে ইমরান খান ও নওয়াজ এখানে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নওয়াজ শরিফের দল ২০০৮ সাল থেকে পাঞ্জাব শাসন করেছে।

চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে লন্ডনের এভিনফিল্ডে চারটি বিলাসবহুল বাড়ির মালিকানা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে পাকিস্তানের একটি আদালত নওয়াজকে ১০ বছর ও তার মেয়ে মরিয়মকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়। সেই সঙ্গে মরিয়মের স্বামী ক্যাপ্টেন অবসরপ্রাপ্ত সফদারকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কারাদন্ড মাথায় নিয়ে দেশে ফিরে, নওয়াজ দল ও সমর্থকদের উজ্জীবিত করতে পারবেন বলে ভাবা হচ্ছিলো। তবে তা এখন আর হচ্ছেনা।

সারাবাংলা/এনএইচ

নির্বাচনী প্রচারণায় নয়, জেলেই থাকবেন নওয়াজ
নির্বাচনী প্রচারণায় নয়, জেলেই থাকবেন নওয়াজ
নির্বাচনী প্রচারণায় নয়, জেলেই থাকবেন নওয়াজ