বুধবার ২০ মার্চ, ২০১৯ ইং , ৬ চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১২ রজব, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

প্রখ্যাত সাহিত্যিক দিব্যেন্দু পালিত আর নেই

জানুয়ারি ৩, ২০১৯ | ৪:৩৯ অপরাহ্ণ

।। আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

চলে গেলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত সাহিত্যিক দিব্যেন্দু পালিত। বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ থাকার পর বুধবার যাদবপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে সেখানেই মারা যান তিনি।

১৯৩৯-এর ৫ মার্চ বিহারের ভাগলপুরে জন্ম দিব্যেন্দু পালিতের। প্রাথমিক থেকে স্কুল-কলেজের পাঠ সেখানেই। স্কুলজীবনের শেষ দিকে লেখালেখির শুরু। ১৯৫৮-য় বাবা বগলাচরণের মৃত্যুর পর আক্ষরিক অর্থেই ভাগ্যান্বেষণে কলকাতায় আসেন সদ্য স্নাতক উত্তীর্ণ দিব্যেন্দু।

বিজ্ঞাপন

ভাগলপুর কলেজে পড়ার সময় থেকেই গল্প লেখা শুরু। প্রথম গল্প ‘ছন্দপতন’ প্রকাশিত হয় আনন্দবাজার পত্রিকার রবিবাসরীয় ক্রোড়পত্রে। সেটা ১৯৫৫ সালের ৩০ জানুয়ারি। দিব্যেন্দু পালিতের বয়স তখন মাত্র ১৬। পরের বছর সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় গল্প ‘নিয়ম’। ২০ বছর বয়সেই তার প্রথম বই তথা প্রথম উপন্যাস ‘সিন্ধু বারোয়াঁ’ প্রকাশিত হয় সেটা ১৯৫৯ সালে। ওই উপন্যাস সম্পর্কে পরে দিব্যেন্দু বলেছিলেন, ‘লেখক হওয়ার জন্য সেই আঠেরো-উনিশ বছর বয়সে আমি এতই ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলাম যে, পাণ্ডুলিপিটি পরিমার্জনা করার ও আদ্যন্ত ফিরে লেখার কথা ভাবিনি। সমালোচকহীন সেই মফস্বল শহরে এমন কেউ ছিল না, যে আমাকে দ্বিতীয় মত গ্রহণে সাহায্য করবে। আমি লেখক, আমিই তার পাঠক, ইতোমধ্যেই পিঠে পড়ে গেছে পরিচয়ের ছাপ, সুতরাং তর যে সইবে না, তাতে আর আশ্চর্য কী!’

তার পরিচিত এবং ঘনিষ্ঠরা জানতেন, দিব্যেন্দু খুব মিতভাষী ছিলেন। খুব উঁচু স্বরে কথাও বলতেন না।

১৯৮৪-তে আনন্দ পুরস্কার, ১৯৮৬-তে রামকুমার ভুয়ালকা পুরস্কার, ১৯৯০-এ বঙ্কিম পুরস্কার, ১৯৯৮-এ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কারসহ একাধিক সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছেন দিব্যেন্দুবাবু। ইংরেজি ও বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় অনূদিত হয়েছে তার অনেক লেখা। চলচ্চিত্র, দূরদর্শন এবং রেডিয়োতেও রূপায়িত হয়েছে অনেক কাহিনী।

সারাবাংলা/এমআই

প্রখ্যাত সাহিত্যিক দিব্যেন্দু পালিত আর নেই
বিজ্ঞাপন

Tags:

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন