সোমবার ১৮ জুন, ২০১৮, ৪ আষাঢ়, ১৪২৫, ২ শাওয়াল, ১৪৩৯

প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে আসা নারীর স্বর্ণজয়ের গল্প

মার্চ ১২, ২০১৮ | ১১:৩০ অপরাহ্ণ

জাহিদ-ই-হাসান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: মাত্র নবম শ্রেণীতে পড়ছেন। নোয়াখালীর প্রত্যন্ত গ্রামে বেড়ে উঠেছেন। পরিবারের আর্থিক অবস্থা অতটা স্বচ্ছল নয় তার। তবে, আকাশ ছোঁয়ার প্রবল ইচ্ছা মনের মধ্যে। স্বপ্নের প্রথম ধাপটাও পেরিয়েছেন দারুণ সাফল্যে এই তরুণ মেধাবী নারী অ্যাথলেট।

চলমান দেশের প্রথম যুব গেমসের চাকতি নিক্ষেপে স্বর্ণ জিতেছেন নোয়াখালীর উদীয়মান ক্রীড়াবিদ বিবি হাজেরা ইমু। খুলনার জুয়ায়রিয়া ও ঢাকা শারমীনকে পেছনে ফেলে ২৬.৭১ মিটার দূরত্বে চাকতি নিক্ষেপ করেছেন তিনি।

স্কুল পড়ুয়া ইমু জেলায় প্রথম হয়ে বিভাগ পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে যুব গেমসে স্বর্ণ লাভ করেছেন। জাতীয় পর্যায়ে পদকটি অর্জনের জন্য দু’বছর হাড়ভাঙা পরিশ্রম করেছেন। অনুশীলন করেছেন।

তার প্রতিফলন চাকতি নিক্ষেপেও। তৃণমূল পর্যায়ে যখন অন্য সবাই সনাতন পদ্ধতিতে চাকতি নিক্ষেপে রিক্তহস্ত সেখানে ইমু আধুনিক নিয়মেই চাকতি নিক্ষেপ করেন। সেই শিক্ষাটা পেয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ ক্রীড়া সংঘের প্রশিক্ষক রফিকুল্লাহ আক্তার মিলনের কাছ থেকে।

মিলন সারাবাংলাকে জানালেন, তার মধ্যে আগ্রহটা অনেক। সে প্রত্যন্ত অঞ্চলের হলেও ভালো করার ইচ্ছাটা প্রবল ছিল। সে প্রচুর খেটেছে। সেজন্য সাফল্য পেয়েছে।

ইতোমধ্যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে খেলোয়াড় হিসেবে যোগ করার আহ্বান করা হয়েছে বলে জানান ইমু।

চান দেশের হয়ে সাফল্য আনতে। দেশের নেতৃত্ব দিতে। ইমু জানান, দু’বছরের প্রস্তুতি নিয়েছি। ভালো খেলোয়াড় হবো। বাইরের দেশে গিয়ে খেলবো। গোল্ড মেডেল পাবো। বাংলাদেশের সুনাম অর্জন করবো।

সারাবাংলা/জেএইচ

প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে আসা নারীর স্বর্ণজয়ের গল্প
প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে আসা নারীর স্বর্ণজয়ের গল্প