সোমবার ২৮ মে, ২০১৮ , ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫, ১১ রমযান, ১৪৩৯

ফের শাটডাউনের শঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রে

জানুয়ারি ১৯, ২০১৮ | ১০:৪১ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নতুন বছরের শুরুতে আবারও শাটডাউনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।

হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভে রিপাবলিকান প্রতিনিধিরা দেশটির চার মাসের বরাদ্দের জন্য পাশ হওয়া তহবিল স্থগিতের প্রস্তাব পাশ করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও সেটির ব্যাপারে সমর্থন রয়েছে।

শুক্রবার রাতে প্রস্তাবটি পাসের জন্য সিনেটে ওঠানো হবে। তবে এটি পাশ করতে অবশ্যয় কয়েকজন ডেমোক্রেটিক সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। আর এটাই সব শঙ্কার মূল কারণ।

দুপক্ষের মতানৈক্যের ফলে যখন কোন একটি প্রস্তাব আটকে থাকে সেই অবস্থাকে শাটডাউন বলা হয়। সাধারণত একটি দল বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হলেই এ ধরণের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

বেথ অ্যান বোভিনো নামের একজন সিনিয়র অর্থনীতিবিদ যুক্তরাষ্ট্রের শাটডাউন বিষয়ে সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরাকে বলেন, ‘শাটডাউনের ফলে আমেরিকার অর্থনীতিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ দুই ধরণের প্রভাব পড়ে।

এর আগেও ২০১৩ সালে আমেরিকাতে সর্বশেষ শাটডাউনটি হয়েছিল। যেটা ১৬ দিন পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।

বোভিনো জানান, শাটডাউনের প্রত্যক্ষ প্রভাবে সাত লক্ষ সরকারি কর্মচারীর সাময়িকভাবে কাজ হারাতে পারে। যতদিন না আইনটি পাশ হচ্ছে ততোদিন তাদের কোন কাজ থাকবে না।

এ ছাড়া শাটডাউন চলার সময় তাদের কোনো বেতন ভাতা দেওয়া হবে কিনা তারও কোনো নিশ্চয়তা নেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে দেখা গেছে অচলাবস্থা কেটে গেলে তাদের বেতন পরিশোধ করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে যতদিন ধরে শাটডাউন চলে ঠিক ততো দিন ধরে পাসপোর্ট ও ভিসা তৈরি, ন্যাশনাল পার্ক, জাদুঘর ও সকল ধরণের স্মৃতিস্তম্ভগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ফলে শাটডাউনের সময় বিপর্যয়ের মুখে পড়বে দেশটির পর্যটন শিল্পও।

২০১৩ সালে বারাক ওবামার ‘ওবামা কেয়ার’ বিলটি পাস করার আগে রিপাবলিকানস ও ডেমোক্রেটিকদের মধ্যে বিরোধের কারণে বিলটি আটকে গেলে ১৬ দিনের শাটডাউন হলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ তহবিল থেকে ঋণ নিয়ে সমস্যার সমাধান করা হয়।

এ ছাড়াও ১৯৯৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ১৯৯৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ২৭ দিনের শাটডাউন হয়েছিল।

সারাবাংলা/এমআই

 

আরও পড়ুন