মঙ্গলবার ২৩শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং , ৮ই কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১২ই সফর, ১৪৪০ হিজরী

রায়ের কপি আজও নয়

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৮ | ৪:২৩ অপরাহ্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ের অনুলিপি পেতে সপ্তাহখানেক আইনি প্রক্রিয়া চালালেও তা পাননি খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। যদিও আইনজীবীরা আশা করেছিলেন আজ (বুধবার ) বিকেলের মধ্যে তারা রায়ের অনুলিপি পাবেন।

বুধবার সকালে খালেদার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া জানিয়েছিলেন, তারা রায়ের কপি পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। কপি পেলেই আপিলের প্রস্তুতি নিবেন।

তবে বুধবারও অনুলিপি না পাওয়ায় তিনি গণমাধ্যমে জানান, হয়ত বৃহস্পতিবার অনুলিপি পাওয়া যাবে।

অপর আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি আছে। কপি পেলে আপিলের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

‘খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে বেশ কিছু গ্রাউন্ডও তৈরি করা হয়েছে’, বলেন খন্দকার মাহবুব।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া অন্য পাঁচ আসামিকে দশ বছরের কারাদণ্ড ও ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

বিচারক ওইদিন ৬৩২ পৃষ্ঠার রায়ের সারাংশ পড়েন। রায় ঘোষণা শেষে অনুলিপি চেয়ে আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। কিন্তু ওইদিন রায়ের কপি না পাওয়ায় আইনজীবীদের আশা ছিল রোববার-সোমবার তা পাওয়া যাবে। এদিন অনুলিপি না পাওয়ায় মঙ্গলবার-বুধবারও রায়ের অনুলিপি পাওয়া আশা করেছিলেন তারা। কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ার এক সপ্তাহ হয়ে গেলেও আজও রায়ের কপি পাওয়া যায়নি।

আদালতে আবেদনের বিষয়ে খালেদার আইনজীবী প্যানেলের সদস্য জয়নুল আবেদীন মেজবাহ গত সোমবার বলেছিলেন, রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি নেওয়ার জন্য তিন হাজার পৃষ্ঠার স্ট্যাম্প ফোলিও স্পেশাল জজ আদালতের পেশকার মোকাররম হোসেনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। ওই কাগজেই রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি লেখা হবে।

এদিকে রায়ের অনুলিপি না পাওয়ায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন বুধবার সারাবাংলাকে বলেন, ‘বর্তমান ডিজিটাল যুগ। রায় যদি বিচারক সত্যি সত্যি লিখে থাকতেন তাহলে রায়ের পর সার্টিফায়েড কপি পেতে  এত দেরি হতো না। আমার সন্দেহ হচ্ছে, রায়ের শুধুমাত্র অাদেশ অংশটুকু লিখেছেন। বাকিটুকু তিনি লেখেননি। যার ফলে রায়ের কপি দিতে এত বিলম্ব হচ্ছে।

আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি দলীয় কর্মসূচিও অব্যাহত রেখেছে বিএনপি। রায়ের পর শুক্রবার ও শনিবার ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য জেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি দেয় দলটি। এরপর তিনদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

কর্মসূচির মধ্যে ছিল মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি ও সবশেষে অনশন কর্মসূচি।

রায়ের পর খালেদা জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডে পুরনো কারাগারে রাখা হয়েছে।

সারাবাংলা/এআই/এজেডকে/একে

রায়ের কপি আজও নয়
রায়ের কপি আজও নয়
রায়ের কপি আজও নয়