রবিবার ১৯ আগস্ট, ২০১৮, ৪ ভাদ্র, ১৪২৫, ৭ জিলহজ্জ, ১৪৩৯

‘রায়ের সার্টিফায়েড কপি মিলবে কাল’

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৮ | ৭:১২ অপরাহ্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ের সার্টিফায়েড কপি আগামীকাল বুধবার পাওয়া যাবে। কপি হাতে পেলে বৃহস্পতিবার আপিল করা হবে। ইতোমধ্যে সে সংক্রান্ত প্রস্তুতি নিয়েছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবী।

মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া সারাবাংলাকে জানান, আগামীকাল দুপুরের পর রায়ের সার্টিফায়েড কপি পাওয়া হবে বলে আমরা জানতে পেরেছি।

তিনি আরও বলেন, ‘আদালতের পেশকার জানিয়েছে আগামীকাল দুপুরের পর রায়ের সার্টিফায়েড কপি দেওয়া হবে।’ এ তথ্য জানার পর আমাদের সিনিয়র আইনজীবীরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছেন। রায়ের কপি দেখে তারা আপিলের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে বেশ কিছু গ্রাউন্ডও তৈরি করে রেখেছেন তারা।

সম্ভাব্য যুক্তি হিসেবে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী যদি বিশ্বাস ভেঙে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে তাদের দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় বিচার করা হয়। বিএনপি আইনজীবীরা বলছেন, বাদীপক্ষ থেকেও বলা হয়নি আত্মসাৎ করার যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সরকারি অর্থ। তারা আরও দাবি করেন, এই মামলায় কোনো অর্থই আত্নসাৎ হয়নি।

রায়ে ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আসামিপক্ষ থেকে দেখানো হয়েছে বর্তমানে ওই অর্থ ব্যাংকে গচ্ছিত রয়েছে এবং তা সুদে-আসলে বেড়ে ছয় কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। সুতরাং আত্মসাতের প্রশ্নই আসে না!

এটি একটি ট্রাস্ট ফান্ডের টাকা, স্বীকৃত মতে একটি বৈধ ট্রাস্ট্রের নামেই টাকাটা ছিল। অর্থাৎ ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ যে কোনোভাবে এই টাকা ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু যদি সেটি আত্নসাৎ হয়, সেক্ষেত্রে অন্যকথা, এখানে আত্নসাৎ হয়নি। কোনো অনিয়ম যদি হয়েও থাকে তাহলে তার বিচার হবে ১৮৮২ সালের ট্রাস্ট আইনে। এখানে দুর্নীতি দমন কমিশনের ভূমিকা নেই। এসবের পাশাপাশি আরও অনেক যুক্তি দেখিয়ে তারা আপিল করবেন বলে জানা গেছে।

সারাবাংলা/এজেডকে/এটি

‘রায়ের সার্টিফায়েড কপি মিলবে কাল’
‘রায়ের সার্টিফায়েড কপি মিলবে কাল’