মঙ্গলবার ২৩শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং , ৮ই কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১২ই সফর, ১৪৪০ হিজরী

সিলেট ও রংপুরে দুইটি শ্রম আদালত হচ্ছে-শ্রম প্রতিমন্ত্রী

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৮ | ৩:০২ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকাঃ সিলেট ও রংপুরে নতুন করে ২টি শ্রম আদালত স্থাপন করা হচ্ছে। শ্রমিকরা যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে ন্যায়বিচার পেতে পারেন সেজন্য নতুন দুইটি আদালত করা হচ্ছে।

বুধবার সচিবালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশে সফররত ইইউ‘র প্রতিনিধি দল মূলত গার্মেন্টস কারাখানা পরিদর্শনের অবস্থা, শ্রম আইন সংশোধন, ইপিজেড শ্রম আইন প্রণয়ন, নারীদের ক্ষমতায়নের বিষয়ে জানতে চেয়েছে।”

এর আগে সচিবালয়ে শ্রম মন্ত্রণালয়ে ১১ সদস্যের ইইউ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন শ্রমমন্ত্রী। বৈঠকে ইইউ সংসদীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন জেন ল্যাম্বার্ড।
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, শ্রমিকরা যাতে দ্রুত সময় ন্যয়বিচার পেতে পারে সেজন্য আমরা আরও দুটি লেবার কোর্ট বাড়াচ্ছি। এতে করে শ্রমিকরা দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচারের সুযোগ পাবে। নতুন দুটি লেবার কোর্টের একটি সিলেটে আরেকটি হবে রংপুরে। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে মোট সাতটি শ্রম আদালত রয়েছে, এর মধ্যে ঢাকায় আছে তিনটি। কোর্টগুলো একসঙ্গে আছে। তাই কোর্টের জুরিসডিকশন (আওতা) নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ গাজীপুর- এভাবে আলাদা করতে পারি কিনা এ রকম একটি চিন্তা-ভাবনা আমাদের আছে। মন্ত্রী যোগ করেন, গাজীপুরের শ্রমিক ঢাকায় এসে বিচার পাওয়া খুব কঠিন।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইইউ সংসদীয় প্রতিনিধিদলকে আমরা বলেছি গার্মেন্টস কারখানা পরিদর্শনের কাজ শেষ করেছি, অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স কাজও শেষ হয়েছে। ইপিজেড চালুর সময় ট্রেড ইউনিয়ন চালু করা যাবে না বলে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সেখানে ওয়ার্কার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন হয়েছে। এখন সর্বশেষ শ্রম আইনের আদলে একটা ইপিজেডের জন্য আলাদা একটা শ্রম আইন করা হচ্ছে, এটা আগে ছিল না। সেটা সংসদে গিয়েছে। সেটার উপর আইএলও কিছু অবজারভেশন দিয়েছে। সেজন্য আমরা নজিরবিহীনভাবে সেটা পার্লামেন্ট থেকে প্রত্যাহারের পর পরিমার্জন করে ফের পার্লামেন্টে পাঠিয়েছি। এসব অগ্রগতি আমরা তুলে ধরেছি।’

শ্রম আইন সংশোধনসহ বাংলাদেশের শ্রম খাত নিয়ে আন্তজাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কাছে একটি ড্রাফট পাঠানো হয়েছিল জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তারা সেটার উপর পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। পর‌্যবেক্ষণটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আগামী অধিবেশনে শ্রম আইনটি সংশোধন করতে পারব। এখন সিস্টেম আছে, কোন ফ্যাক্টরিতে ট্রেড ইউনিয়ন করতে গেলে ৩০ শতাংশ শ্রমিকের সমর্থন লাগবে। এটা আমরা কমাচ্ছি। তিনি বলেন, ‘রানা প্লাজা ধসের ঘটনার আগে দেশে পোশাক খাতে ১২০টি ট্রেড ইউনিয়ন ছিল এখন তা ৭০০টিতে পৌঁছেছে। আরও কয়েকশ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
সারাবাংলা/জিএস/জেএএম

সিলেট ও রংপুরে দুইটি শ্রম আদালত হচ্ছে-শ্রম প্রতিমন্ত্রী
সিলেট ও রংপুরে দুইটি শ্রম আদালত হচ্ছে-শ্রম প্রতিমন্ত্রী
সিলেট ও রংপুরে দুইটি শ্রম আদালত হচ্ছে-শ্রম প্রতিমন্ত্রী