রবিবার ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং , ১২ ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৮ জমাদিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

সুস্থ-নিরাপদ ঢাকা উপহার দিতে চাই: আতিকুল ইসলাম

জানুয়ারি ২৭, ২০১৯ | ৮:২৪ অপরাহ্ণ

।।  জিমি আমির, জয়েন্ট নিউজ এডিটর ।।
ঢাকা: জনগণকে সুস্থ ঢাকা উপহার দিতে চান বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উপনির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ-প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘‘আমার স্লোগান হচ্ছে ‘সবার জন্য সবার ঢাকা’।  আমি জনগণকে সুস্থ-নিরাপদ ঢাকা উপহার দিতে চাই।’’ রোববার (২৭ জানুয়ারি) রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর সারাবাংলাডটনেটকে দেওয়া তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।  নিচে তার সাক্ষাৎকারটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

সারাবাংলা: আপনি আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেলেন।  এখন নির্বাচনে জয়ী হলে কী পদক্ষেপ নেবেন সিটি করপোরেশনের উন্নয়নের জন্য?
আতিকুল ইসলাম: আমার স্লোগান হচ্ছে ‘সবার জন্য সবার ঢাকা’।  এখানে কনসেপ্টটা হচ্ছে একটি সুস্থ, সচল, আধুনিক ও নিরাপদ ঢাকা।  এই কনসেপ্ট নিয়ে আমি কাজ করতে চাই।  সুস্থ ঢাকা বলতে, আমাদের এখানে অনেক মানুষ অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে, ডিপ্রেশনে ভুগছে। ট্রাফিক জ্যামে আমাদের অধিকাংশ সময় চলে যাচ্ছে। এর ফলে মাল্টিভাইরাল ইফেক্ট পড়ছে মানুষের মধ্যে।  আমাদের স্কুলে খেলার মাঠ যেগুলো আছে শিশুদের জন্য, সেগুলো যথেষ্ট নয়। আমরা যত দ্রুত সম্ভব আমাদের খেলার মাঠগুলো আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে ফিরিয়ে দিতে চাই। আমারা তাদের একটি খেলাধুলার পরিবেশ দিতে চাই। নতুন প্রজন্ম এবার সরকারকে অনেক বেশি ভোট দিয়েছে।  সুতরাং তাদের চাওয়া-পাওয়াটাও অনেক বেশি।  আমার মনে হয়, তারা যেটা চায়, অন্যায় কিছু না।  তারা চায় একটি খেলার মাঠ।  আমি যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়েও কাজ করতে চাই।  মহিলাদের জন্য আলাদা বাসের ব্যবস্থা করতে চাই। বাসের রুটগুলোতে দেখা যাচ্ছে একই রুটে অনেকগুলো বাসের মধ্যে কমপিটিশন। এগুলো থাকতে পারবে না। আমরা যদি এগুলো কন্ট্রোলের মধ্যে আনতে পারি। বিশেষ করে আনিস ভাই যেটা করতে চেয়েছিলেন, সেগুলো বাস্তয়ায়ন করার জন্য আমি কাজগুলো করবো।  তার অসমাপ্ত কাজগুলো আমি সমাপ্ত করবো।  সেগুলোই আমার ফার্স্ট প্রায়োরিটি।

আরও পড়ুন:  উত্তরের মেয়র পদে মনোনয়নপত্র নিলেন আতিকুল ইসলাম

সারাবাংলা: পাবলিক বাস বাড়ানোর জন্য আপনার পদক্ষেপ কী?
আতিকুল ইসলাম: পাবলিক বাস যেগুলো আছে সেগুলো বাড়াতে হবে।  রুটের সংখ্যাও বাড়াতে হবে।  এ জন্য আমাদের ফ্রাঞ্চাইজি আনতে হবে। অবশ্যই পাবলিক বাস বাড়বে।  তার থেকে আমি বেশি জোর দিচ্ছি, আমাদের যে বাসগুলো আছে, সেগুলোর রুট ঠিক করার জন্য।  বাসগুলোর মধ্যে কম্পিটিশিনের কারণে বাসগুলো নির্দিষ্টি স্থানে পার্ক করছে না।  বিদেশে দেখা যায়, বাস পার্ক করার জন্য নির্দিষ্টি জায়গা রয়েছে। সেখানে তারা পার্ক করছে।  আমাদেরও সেই ডিসিপ্লিনগুলো আনতে হবে।  পাবলিক বাসের ব্যাপারে আপনি যেটা বলছেন, আমি বলেছি আমি একটি সুস্থ ঢাকা সচল ঢাকা করতে চাই।  এ জন্য পাবলিক বাস ভেরি ভেরি ইমপর্টেন্ট।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা: রাস্তায় বেসরকারি গাড়ির সংখ্যাই বেশি। পাবলিক ট্রান্সপোর্ট খুব একটা দেখা যায় না। এই বাস্তবতাটাকে আপনি কীভাবে ফেস করবেন?
আতিকুল ইসলাম: আমি আপনাকে বলেছি, আমাদের যে ফ্রাঞ্চাইজি ছিল, সেই ফ্রাঞ্চাইজির মাধ্যমে আমরা এই চ্যালেঞ্জটা নিতে চাই। একই রুটে বিভিন্ন মালিকের ১০টা ২০টা বাসের কারণে কম্পিটিশন তৈরি হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে মালিকদের মধ্যেও যেমন কম্পিটিশিন হচ্ছে তেমনি একই কোম্পানির বাসের মধ্যেও কম্পিটিশিন হচ্ছে। আমরা আশা করছি নতুন করে পদক্ষেপের মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

সারাবাংলা: এর আগে আনিসুল হকের সময় আমরা দেখেছি, তিনি অনেক চেষ্টা করেছেন বিভিন্ন কাজকর্ম করার। কিন্তু সেখানে দেখা গেলো বিভিন্ন সংস্থা ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটা সমন্বয়হীনতা কাজ করে। আপনি এটাকে কীভাবে মোকাবিলা করবেন?
আতিকুল ইসলাম: আমাদের এখানে আটটা মন্ত্রণালয়ের ৫৪টা সংস্থা কাজ করছে। আলোচনার মাধ্যমে একটি ছাতার নিচে সবগুলো সংস্থা যদি কাজ করতে পারি। তাহলে আমাদের প্রচুর পয়সা যেমন সাশ্রয় হবে, তেমনি আমাদের প্রচুর সময়ও সাশ্রয় হবে। আমরা দেখেছি একটি রাস্তা তৈরির পর অন্য আরেকটি কাজে রাস্তাগুলো খোঁড়াখুঁড়ি করা হয়।  এটা যেন না হয়, সে জন্য সমন্বয় করেই আমরা কাজগুলো করবো।

সারাবাংলা/জেএএম/এমএইচ/এমএনএইচ

Tags:

সুস্থ-নিরাপদ ঢাকা উপহার দিতে চাই: আতিকুল ইসলাম
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন