বুধবার ২৪শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং , ৯ই কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪০ হিজরী

হাইকোর্টের আদেশে আটকে গেল ফোরজি লাইসেন্স

জানুয়ারি ১১, ২০১৮ | ১২:৩৮ অপরাহ্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা :  দেশে চতুর্থ প্রজন্মের ইন্টারনেট (ফোরজি) সেবার লাইসেন্স এবং তরঙ্গ নিলামের জন্য দেওয়া টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি)  বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমদের বেঞ্চ বৃহস্পতিবার রুলসহ এ আদেশ দেন।

নতুন বছরেই ফোরজি সেবা চালু হবে, সরকারের পক্ষ থেকে এ রকম ঘোষণা থাকলেও হাইকোর্টের আদেশের ফলে সেবাটি কার্যক্রম অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল।

বিটিআরসির ওই বিজ্ঞপ্তি ২০০৮ সালের ব্রডব্যান্ড গাইডলাইন্সের সঙ্গে সাংঘর্ষিক- এমন যুক্তি দিয়ে বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের পক্ষেে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হয়।

বিটিআরসির বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করার পাশাপাশি ২০০৮ সালের নীতিমালাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন আদালত।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ড. কামাল হোসেন, সঙ্গে ছিলেন রমজান আলী শিকদার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।

আইনজীবী রমজান আলী শিকদার সারাবাংলাকে বলেন, বিটিআরসির দেওয়া এ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা হাইকোর্ট জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যানসহ বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। হাইকোর্ট বিটিআরসির ওই বিজ্ঞপ্তিটিও স্থগিত করেছেন।

গত বছরের ০৪ ডিসেম্বর বিশেষ কমিশন সভায় দুই গাইডলাইন প্রকাশ ও আবেদন আহ্বানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো। ওইদিন বিটিআরসির ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফোরজি বিস্তৃত করার জন্য অপারেটরদের আবেদন ফি দিতে হবে পাঁচ লাখ টাকা। লাইসেন্স পেতে দিতে হবে ১০ কোটি টাকা। আর বার্ষিক নবায়ন ফি হবে ৫ কোটি টাকা।

এ লাইসেন্স নিতে অপারেটরদের ১৫০ কোটি টাকা ব্যাংক গ্যারান্টিও দিতে হবে। রেভিনিউ শেয়ারিংয়ে সরকারকে দিতে হবে আয়ের ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

অপারেটরগুলোকে ফোর জি তরঙ্গ বরাদ্দ পেতে অংশ নিতে হবে নিলামে। নীতিমালায় এক হাজার ৮০০ মেগাহার্টজের তরঙ্গ নিলামের ভিত্তিমূল্য ঠিক করা হয়েছে প্রতি মেগাহার্টজে ৩০ মিলিয়ন ডলার। আর থ্রি জির দুই হাজার ১০০ মেগাহার্টজের প্রতি মেগাহার্টজ ২৭ মিলিয়ন ডলার এবং ৯০০ মেগাহার্টজের প্রতি মেগাহার্টজ ৩০ মিলিয়ন ডলার ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিটিআরসির এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয় মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানিগুলো। ফলে বিষয়টির সুরাহা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়।

সারাবাংলা/এজেডকে/একে

হাইকোর্টের আদেশে আটকে গেল ফোরজি লাইসেন্স
হাইকোর্টের আদেশে আটকে গেল ফোরজি লাইসেন্স
হাইকোর্টের আদেশে আটকে গেল ফোরজি লাইসেন্স