Tuesday 27 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সুদের হার কমানো সহজ নয়, ভারসাম্য প্রয়োজন: অর্থ উপদেষ্টা

‎স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:০৬
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: সুদের হার কমানো কোনো একক সিদ্ধান্তের বিষয় নয়, এতে সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ব্যাংকিং অ্যালমানাকের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ট্রেজারি বিল, ব্যাংকিং খাত ও বাজার ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় ছাড়া সুদের হার কমালে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

ট্রেজারি বিলের সুদহার এরইমধ্যে কমেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর প্রভাব ধীরে ধীরে বাজারে প্রতিফলিত হবে। তবে সঞ্চয়পত্র বা ট্রেজারি বিলের সুদ বাড়ালে ব্যাংকে আমানত কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা ব্যাংকিং ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতের মূল ভূমিকা হলো সঞ্চয় ও ঋণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করা। এই মধ্যস্থতাকারী কাঠামো দুর্বল হলে পুরো অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ব্যাংকিং অ্যালমানাক প্রসঙ্গে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, এটি বিনিয়োগের সরাসরি নির্দেশনা না দিলেও ব্যাংকিং খাত বিশ্লেষণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সোর্স। এতে পেইড-আপ ও অথরাইজড ক্যাপিটাল, ক্যাপিটাল রেশিও, প্রভিশনিং, রিটেইন্ড আর্নিংস এবং ক্রেডিট-ডিপোজিট রেশিওসহ প্রয়োজনীয় তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তিনি জানান, নানা সীমাবদ্ধতা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও অ্যালমানাক প্রকাশ অব্যাহত রাখা প্রশংসনীয়। এ ক্ষেত্রে, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং এর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।

ব্যাংকিং খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার সময় খাতটি সংকটপূর্ণ ছিল। তবে সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী কিছু ব্যাংকের প্রভিশনিং ও ঋণ কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে, যা অ্যালমানাকে প্রতিফলিত হয়েছে।

মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেবল মুদ্রানীতির মাধ্যমে টেকসই সমাধান সম্ভব নয়; সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, বাজার তদারকি এবং ব্যবসায়ী– ভোক্তা পর্যায়ের সহযোগিতা প্রয়োজন।

গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে শুধু নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন না করে ইতিবাচক অগ্রগতি তুলে ধরা এবং গঠনমূলক সমালোচনা করা জরুরি।

সারাবাংলা/এসএ/ইআ
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর