Saturday 09 May 2026
সারাবাংলা: লেটেস্ট বাংলা খবর | ব্রেকিং নিউজ | Sarabangla.net

কৃষকের কষ্টের ফসল হারানোর বেদনা অনেক: কৃষিমন্ত্রী

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৯ মে ২০২৬ ২৩:৩০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের মেদির হাওর পরিদর্শনকালে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। ছবি: সারাবাংলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: কৃষকদের কষ্টে ফলানো ফসল হারানোর বেদনা অনেক বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এজন্য সরকার কৃষকদের উন্নয়নে বহুমাত্রিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

শনিবার (৯ মে) দুপুরে নাসিরনগরের মেদির হাওর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, জেলা পর্যায়ে বর্তমানে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ইউনিয়ন পর্যায়ে মাইকিং করে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকার কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

কিশোরগঞ্জের অল ওয়েদার রোড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সড়কটির কারণে পানি প্রবাহে কোনো বাধা সৃষ্টি হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য এম এ হান্নান, জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ, নাসিরনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিকেলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি মৌসুমে নাসিরনগর হাওরে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ঢলের পানিতে ৩০৫ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে গেছে, যার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৩ কোটি টাকা। তবে স্থানীয় কৃষকদের দাবি, প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ সরকারি হিসাবের চেয়ে আরও বেশি।

এদিকে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং ভারি বৃষ্টিপাত না হওয়ায় মেদির হাওরসহ বিভিন্ন হাওরের পানি কিছুটা কমেছে। পানির নিচে তলিয়ে থাকা ধানি জমিও দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। এতে কৃষকদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে কৃষকরা কেটে আনা ধান শুকানোর সুযোগ পাচ্ছেন। তবে অধিকাংশ জমি এখনও পানির নিচে থাকায় ধানের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সারাবাংলা/এসএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর