Sunday 10 May 2026
সারাবাংলা: লেটেস্ট বাংলা খবর | ব্রেকিং নিউজ | Sarabangla.net

ভারতজুড়ে মুসলিম নিপীড়নে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ জরুরি: মামুনুল হক

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১০ মে ২০২৬ ০৮:২৫

ঢাকা: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়ন, উচ্ছেদ অভিযান ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি জাতিসংঘ, ওআইসি, মুসলিম বিশ্ব এবং বিশেষভাবে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি এ বিষয়ে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
একইসঙ্গে ভারতে মুসলিম নিধনের প্রতিবাদে রোববার (১০ মে) রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেন মামুনুল হক।

শনিবার (৯ মে) দুপুরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের নিয়মিত মাসিক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

আমির বলেন, পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় মুসলমানদের ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও ঈদগাহে হামলার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একইভাবে আসামের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান ও বসতবাড়ি ধ্বংসের ঘটনা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।

তিনি বলেন, সংখ্যালঘু মুসলমানদের জানমাল, ধর্মীয় অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু ভারতের হিন্দুত্ববাদী সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ভূমিকা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

বৈঠক পরিচালনা করেন মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। বৈঠকে আরও আলোচনা করেন—সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, নায়েবে আমির মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী, মাওলানা কোরবান আলী কাসেমী, মাওলানা মাহবুবুল হক, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মাওলানা আব্দুল আজীজ, মুফতি শরাফত হোসাইন, মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজী ও মাওলানা শরীফ সাইদুর রহমান।

বৈঠকে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে গাজা, লেবানন, ইয়েমেন ও ইরানকে কেন্দ্র করে যে অস্থিরতা ও সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, তা সমগ্র মুসলিম বিশ্বের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। অবিলম্বে গাজা, লেবানন, ইয়েমেন, ইরানসহ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমিতে ফেরার অধিকার নিশ্চিত এবং মসজিদুল আকসার মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর আন্তর্জাতিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, দেশের জনগণ গত ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে সুনির্দিষ্ট রায় দিয়েছে। সেই রায় উপেক্ষা করে সরকার জনগণের মতামতের প্রতি চরম অবজ্ঞা দেখিয়েছে।

সারাবাংলা/এমএমএইচ/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর