Monday 11 May 2026
সারাবাংলা: লেটেস্ট বাংলা খবর | ব্রেকিং নিউজ | Sarabangla.net

ফতুল্লায় ফের গ্যাস বিস্ফোরণ, এক পরিবারের ৪ জন দগ্ধ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১১ মে ২০২৬ ১১:৫৬ | আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ১৩:১৯

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। ফাইল ছবি

ঢাকা: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আবারও একটি বাসায় গ্যাাস বিস্ফোরণে এক পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফতুল্লার শিবু মার্কেটের পাশে কুতুবপুর রাখিবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন- আব্দুল কাদের (৫০), তার তিন ছেলে মেহেদী (১৭), সাকিব (১৬) ও রাকিব (১৬)।

তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. ফারুক জানান, একতলা ভবনটিতে ভাড়া থাকেন আব্দুল কাদেরের পরিবার। তার তিন ছেলে এবং স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করেন। সোমবার সকালে তাদের বাসায় বিকট একটি বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের মানুষ জেগে ওঠে। তখন সবাই দৌড়ে গিয়ে দেখেন, ওই বাড়িটির দরজা, জানলা ভেঙে পড়েছে। ঘরের ভেতর থেকে দগ্ধ অবস্থায় একে একে বের হচ্ছেন। সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, ধারণা করা হচ্ছে, ওই বাসার গ্যাস লিকেজ হয়ে জমে থাকা গ্যাস থেকে অথবা ফ্রিজের কম্প্রেসার থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে। তবে এটি কেউই নিশ্চিতভাবে বলতে পারছে না।

জানা যায়, তাদের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উপজেলায়। আব্দুল কাদের অটোরিকশাচালক। আর তার ছেলে মেহেদি হালিম বিক্রেতা, সাকিব একটি কারখানায় কাজ করে এবং রাকিব চটপটি বিক্রি করে। ঘটনার সময় তিন ছেলে ও বাবা ঘুমিয়েছিলেন। আর তাদের মা রান্নার কাজের জন্য পানি সংগ্রহ করতে ঘরের বাইরে ছিলেন। তখনই এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এদিকে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আব্দুল কাদেরের শরীরের ৫৭ শতাংশ, মেহেদীর ১৮, সাকিবের ১৭ ও রাকিবের ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। মেহেদী ও রাকিবের শ্বাসনালীও দগ্ধ হয়েছে। তাদের চারজনের অবস্থাই গুরুতর। তাদের ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, রোববার (১০ মে) সকালে ফতুল্লায় একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে তিন শিশু সন্তান একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদেরকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

সারাবাংলা/এসএসআর/ইআ