Friday 23 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

জামানত মূল্যায়নে ১৩১ প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:০৩ | আপডেট: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:৩৬

ঢাকা: ঋণের বিপরীতে নেওয়া জামানতের সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে অনুমোদিত ১৩১টি জামানত মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন তালিকায় ৯৮টি প্রতিষ্ঠানকে ‘ক’ গ্রুপ এবং ৩৩টি প্রতিষ্ঠানকে ‘খ’ গ্রুপে রাখা হয়েছে। তালিকাটি তিন বছরের জন্য কার্যকর থাকবে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ২৮ নভেম্বর জারি করা নীতিমালার আলোকে অনুমোদিত এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে ঋণের বিপরীতে নেওয়া স্থাবর ও অস্থাবর জামানতের মূল্যায়ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের সময়ে সময়ে জারি করা সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাও যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন তালিকায় ‘ক’ গ্রুপে রয়েছে- বাংলাদেশ ইনস্পেকশন অ্যান্ড সার্ভে প্রাইভেট লিমিটেড, মল্লিক অ্যাডজাস্টার্স লিমিটেড, সেবোল্ট অ্যাডজাস্টার্স লিমিটেড, সিটি ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্পেকশন কোম্পানি লিমিটেড, জরিপ ও পরিদর্শন কোম্পানি লিমিটেড, ডিজিটাল জরিপ ও পরিদর্শন কোম্পানি লিমিটেড, পদ্মা টেকনো-কনসাল্ট অ্যান্ড সার্ভে লিমিটেড, ইস্টল্যান্ড সার্ভেয়ার্স এবং মৃধা অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেডসহ মোট ৯৮টি প্রতিষ্ঠান।

অন্যদিকে ‘খ’ গ্রুপে রয়েছে- ঢাকা সার্ভে কোম্পানি লিমিটেড, প্রাইম কনসাল্টিং (বিডি) লিমিটেড, রাইটওয়ে সার্ভেয়ার্স, দ্য রেডিয়েন্ট সার্ভেয়ার্স, প্রাইম সার্ভে অ্যান্ড কনসালটেন্সি লিমিটেড, এমরান অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস, রাফিদ ইনস্পেকশন লিমিটেড ও তিস্তা সার্ভেয়ার্সসহ মোট ৩৩টি প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমোদনের মেয়াদ তিন বছর। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস আগে পুনরায় তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করতে হবে। নীতিমালার কোনো শর্ত লঙ্ঘন করলে বা গ্রহণযোগ্য কোনো কারণ দেখা দিলে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কোনো প্রতিষ্ঠানকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ক্ষমতাও কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংরক্ষণ করবে।

এ ছাড়া তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত ছকে প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১-এ প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করা হবে।

ব্যাংকিং খাতে ঋণের বিপরীতে জামানতের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জামানতের মূল্য অতিমূল্যায়ন বা অবমূল্যায়ন হলে ঋণ বিতরণ ও আদায়ে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে বড় অঙ্কের ঋণের ক্ষেত্রে সম্পদের প্রকৃত মূল্য সঠিকভাবে নির্ধারণ না হলে খেলাপি ঋণ আদায়েও জটিলতা দেখা দিতে পারে।

এ কারণে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে জামানত মূল্যায়নের নির্দেশনা পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে মূল্যায়নে অভিন্ন মানদণ্ড, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর ঋণঝুঁকি ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর