ঢাকা: শিক্ষার্থীর চাপ ও স্থানীয় চাহিদা বিবেচনায় রাজধানী ঢাকাসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে নয়, বরং আবেদন ও বাস্তব সক্ষমতা যাচাই-বাছাই করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ‘ডাবল শিফট’ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী চাহিদা অনুসারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দুই শিফট চালুর সুযোগ রয়েছে। তবে সরকার দেশব্যাপী সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে এই প্রক্রিয়া শুরু করবে না। কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর সংখ্যা, অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক-কর্মচারীর প্রাপ্যতা এবং শিক্ষার গুণগত মান বজায় থাকবে কি না তা গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও কাগজপত্র নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুপারিশ পাওয়া গেলে মন্ত্রণালয় দুই শিফট চালুর মঞ্জুরি বিবেচনা করবে। অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত শর্ত মেনে পরবর্তী উপযুক্ত শিক্ষাবর্ষ থেকে দ্বিতীয় শিফট চালু করতে পারবে। এই উদ্যোগটি সম্পূর্ণ আবেদন ও অনুমোদনসাপেক্ষ হওয়ায় দেশব্যাপী বাস্তবায়নের কোনো অভিন্ন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।’