Monday 26 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

পণ্য ও সেবা রফতানি বাড়াতে ইন্দোনেশিয়ার সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট
৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫:৩৪ | আপডেট: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:০৭

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির-এর সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতির বৈঠক -ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশি পণ্য ও সেবা রফতানি বাড়াতে দেশটির সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ককে ভবিষ্যতে কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সেপা)-এর দিকে এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ঢাকা।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতি। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাণিজ্য ও ব্যবসা, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, পর্যটন, সাংস্কৃতিক বিনিময়, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ, কনস্যুলার বিষয়, উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময় এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

বিজ্ঞাপন

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ইন্দোনেশিয়াকে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি পণ্য ও সেবা আমদানির আহ্বান জানান।

এর মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্যকে আরও গভীর ও বহুমুখী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ককে সেপা-এর দিকে এগিয়ে নিতে প্রস্তুত বলেও জানান।

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ইন্দোনেশিয়ার ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এতে পর্যটন, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে। জবাবে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি পণ্য, বিশেষ করে ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্যের রফতানি বহুমুখীকরণে ইন্দোনেশিয়ার সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতি এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, সর্বোত্তম পদ্ধতি ভাগাভাগি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশের আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার আকাঙ্ক্ষা এবং রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে যোগদানের প্রচেষ্টায় ইন্দোনেশিয়ার সহযোগিতা চান প্রতিমন্ত্রী। জবাবে রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতি বাংলাদেশের এসব গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগে ইন্দোনেশিয়ার অব্যাহত সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকের শেষে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে উভয় পক্ষ।