Wednesday 16 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর নির্দেশ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:৫৬

বাংলাদেশ সচিবালয়।

ঢাকা: মাঠ পর্যায়ে ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে দেশের সকল উপজেলা ভূমি অফিস এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনদুর্ভোগ কমাতে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মাঠ প্রশাসনকে আরও গতিশীল করতে সরকারের পক্ষ থেকে নানা ধরনের তদারকি জোরদার করা হয়েছে।

এই নির্দেশনার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি জেলার জেলা প্রশাসকদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হয়েছে। প্রেরিত চিঠিতে সংশ্লিষ্ট সকল ভূমি অফিসে অবিলম্বে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস স্থাপন করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সকল স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যাতে নিয়মিতভাবে এই ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা ব্যবহার করেন, তা কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে গত ১৫ সেপ্টেম্বর এই সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ চিঠিটি জারি করা হয়। মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, সরকারি দপ্তরে সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং একটি সুন্দর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সরকার ই-গভর্ন্যান্স কার্যক্রম ব্যাপকভাবে চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ভূমি খাতের সংস্কার কাজকে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, মাঠ পর্যায়ে ভূমি ব্যবস্থাপনাকে অধিকতর গতিশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করা অত্যন্ত জরুরি। দেশের সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই নির্বিঘ্নে এবং যথাসময়ে কাঙ্ক্ষিত ভূমি সেবা গ্রহণ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে সময়মতো উপস্থিতি ও নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, স্থাপিত বায়োমেট্রিক ডিভাইসগুলোর মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সঠিকভাবে উপস্থিতি দিচ্ছেন কি না, তা নিবিড়ভাবে তদারকি করার জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে সরকারি অফিসগুলোতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও অনুপস্থিতির প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় নিরবচ্ছিন্ন ও সেবামুখী প্রশাসন পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

 

সারাবাংলা/এফএন/ এএ
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর