ইবি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) চার বিভাগে নতুন সভাপতি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক চারটি অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগে সহকারী অধ্যাপক তন্ময় সাহা জয়, ফাইন আর্টস বিভাগে সহকারী অধ্যাপক রায়হান উদ্দিন ফকির, ফার্মেসি বিভাগে সহকারী অধ্যাপক ড. মাসুদ রানা এবং ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগে আল ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ারুল ওহাবকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
জানা যায়, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের সভাপতি বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, ফাইন আর্টস বিভাগের সভাপতি আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান এবং ফার্মেসি বিভাগের সভাপতি বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এছাড়া, ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক বিলাসা সাহার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সংবিধির সংশোধিত ১০(১) ধারা অনুযায়ী নবনিযুক্ত সভাপতিদের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
ফাইন আর্টস বিভাগের নবনিযুক্ত সভাপতি সহকারী অধ্যাপক রায়হান উদ্দিন ফকির বলেন, ‘আমি এখনও সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করিনি। স্যারদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’
ফার্মেসি বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক ড. মাসুদ রানা বলেন, ‘দায়িত্ব পালনের জন্য আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। আমাদের বিভাগে সেশনজটসহ আরও নানা সমস্যা আছে। আশা করছি, সকলের সহায়তা পেলে এ সমস্যার সমাধান করতে পারবো।’
কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের নবনিযুক্ত সভাপতি সহকারী অধ্যাপক তন্ময় সাহা জয় বলেন, ‘সভাপতি হিসেবে বিভাগের শিক্ষককে বিবেচনা করায় প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। বর্তমানে বিভাগে বেশকিছু সংকট ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তারমধ্যে শ্রেণিকক্ষ সংকট, শিক্ষকদের কক্ষ সংকট এবং সেশনজট ও ল্যাবের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আমি প্রশাসনের সহযোগিতায় চেষ্টা করবো দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্লাসরুম ও শিক্ষকদের রুম সংকট নিরসনের। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি একটি মাল্টিমিডিয়া ল্যাব স্থাপনের। সেটিও দ্রুত বাস্তবায়ন হবে আশা করি।‘
ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ারুল ওহাব বলেন, ‘সভাপতির দায়িত্ব অনেকটা দলগত কাজ। এক্ষেত্রে, সহকর্মীরা সহায়তা করলে আমাদের লক্ষ্য পূরণে সুবিধা হবে। আমি অন্য বিভাগের শিক্ষক হলেও দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতার কোনো অভাব হবে না।’