Saturday 19 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

শিশু ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়, সচেতনতায় বাড়ে সুস্থতার সুযোগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:২৪

ঢাকা: শিশু ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়। সময়মতো রোগ শনাক্ত করে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া গেলে অনেক শিশুই সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে। তবে সচেতনতার অভাব, রোগ নির্ণয়ে বিলম্ব ও চিকিৎসা নিতে দেরি হওয়ায় অনেক শিশু সময়মতো চিকিৎসার আওতায় আসতে পারে না।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) শিশু ক্যান্সার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি সোসাইটির (পিএইচওএসবি) এদিন সকাল ৯টায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সচেতনতামূলক র‍্যালি শুরু হয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে জাতীয় প্রেস ক্লাবেই মানববন্ধন ও প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। এবারের কর্মসূচির মূল বার্তা ছিল ‘ভয় নয়, সচেতনতা। বিলম্ব নয়, সময়মতো চিকিৎসা।’

বিজ্ঞাপন

সেপ্টেম্বর মাস বিশ্বব্যাপী শিশু ক্যান্সার সচেতনতা মাস হিসেবে পালিত হয়। এ মাসে শিশু ক্যান্সারের লক্ষণ সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতন করা, দ্রুত রোগ শনাক্ত করা এবং আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। শিশু ক্যান্সারের প্রতীক সোনালি ফিতা।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পিএইচওএসবির সাধারণ সম্পাদক ডা. শামসুল হক কিবরিয়া বলেন, শিশু ক্যান্সার মোকাবিলায় শুধু চিকিৎসা নয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি। চিকিৎসক, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সামাজিক সংগঠনগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করলে শিশু ক্যান্সার নিয়ে অযথা ভয় ও চিকিৎসা গ্রহণে বিলম্ব কমানো সম্ভব।

বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় চার লাখ শিশু ও কিশোর-কিশোরী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। বাংলাদেশেও শিশু ক্যান্সার একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। তবে দেশে এখনো পূর্ণাঙ্গ জাতীয় শিশু ক্যান্সার নিবন্ধন ব্যবস্থা না থাকায় আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা জানা যায় না। শিশুর দীর্ঘদিন বা বারবার জ্বর, অস্বাভাবিক ফ্যাকাশে ভাব, শরীরে অকারণ গুটি বা পেট ফুলে যাওয়া, কালশিটে দাগ, অস্বাভাবিক রক্তপাত, হাড়ে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, চোখের পরিবর্তন কিংবা অকারণে ওজন কমে গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই ক্যান্সার হয়েছে এমন নয়। বিভিন্ন রোগেও একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে হবে।

সারাবাংলা/টিএম/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর