চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁওয়ে অপহরণের ছয় ঘণ্টার মধ্যে ১ বছর ৯ মাস বয়সি এক শিশুকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৭)। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িত ১৫ বছর বয়সি এক কিশোরকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এসআরবি-৭-এর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার ও জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া শিশু সাবিহা নূর চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার কদুরখিল গ্রামের মো. বোরকান উদ্দিন টিটুর মেয়ে। তিনি বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে চান্দগাঁও থানার কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় বসবাস করেন।
এসআরবি-৭ জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে চান্দগাঁওয়ের কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় মদিনা ভাতঘরের পেছনে নিজেদের বাসা থেকে কৌশলে শিশুটিকে নিয়ে যায় ১৫ বছর বয়সি ওই কিশোর। পরে তাকে তার মামা-মামির কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল।
ঘটনার পর শিশুটির বড়ো চাচা বাদী হয়ে চান্দগাঁও থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৩০ ধারায় মামলা করেন। মামলাটি ১৮ সেপ্টেম্বর নথিভুক্ত করা হয়।
এসআরবি-৭ জানায়, ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে বিকেল ৩টার দিকে নগরের লালখান বাজার এলাকা থেকে ওই কিশোরকে হেফাজতে নেওয়া হয়। এ সময় তার কাছ থেকে শিশু সাবিহা নূরকে উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে কিশোর এসআরবি-৭’কে জানায়, তার মামি দিলারা বেগম ও মামা মোজাম্মেল হোসেনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে শিশুটিকে তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সে অপহরণ করেছিল। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবির পৃথক দল নগরের স্বাধীনতা কমপ্লেক্সের সামনে থেকে মোজাম্মেল হোসেন (৪১) এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে দিলারা বেগমকে (৪০) গ্রেফতার করে।
এসআরবি-৭-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, ‘গ্রেফতার দু’জনকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চান্দগাঁও থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিশোরটিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।’