Thursday 24 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সমন্বিত উদ্যোগে নৌ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে: নৌপরিবহনমন্ত্রী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:৩৭

নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

চট্টগ্রাম: নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, দেশের নৌ ও শিপিং খাতের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি বলেন, দেশের নৌ খাতে প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামোর কোনো ঘাটতি নেই। এখন প্রয়োজন এসব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজে লাগিয়ে সম্ভাবনাময় এ খাতকে আরও বিকশিত করা।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ মেরিন একাডেমিতে ওয়ার্ল্ড মেরিটাইম ডে ও একাডেমির ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, সমুদ্রভিত্তিক অর্থনীতি ও বাণিজ্যের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অনেক দেশ বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। বাংলাদেশেরও যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, অতীতের সীমাবদ্ধতাকে কাটিয়ে কোথায় অসঙ্গতি রয়েছে তা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।

বিজ্ঞাপন

শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বের প্রায় ৮০০ কোটি মানুষের অর্থনীতি ও বাণিজ্য সমুদ্রপথ নির্ভর। অথচ এ বিশাল কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত দক্ষ জনশক্তি তুলনামূলকভাবে খুবই কম। তাই মেরিটাইম সেক্টরে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং এ খাতে আরও বিনিয়োগ করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকারের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও মনোযোগ থাকবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রসঙ্গে নৌ পরিবহন মন্ত্রী বলেন, পিসিটি, এনসিটি, লালদিয়া ও বে টার্মিনালসহ বিভিন্ন প্রকল্পে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বন্দরের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মোংলা বন্দর ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলেও বিনিয়োগ বাড়ছে।

তিনি বলেন, এসব বিনিয়োগের সুফল পেতে হলে সেবা ও দক্ষতার মানও সমানভাবে বাড়াতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জাকারিয়া ও বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএমওএ) সভাপতি ক্যাপ্টেন আনাম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে গার্ড অব অনার, প্যারেড পরিদর্শন, বর্ণাঢ্য র‌্যালি, বেলুন উড়ানো ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং দ্বিতীয় পর্বে আলোচনা সভা, কেক কাটা, মধ্যাহ্নভোজ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সারাবাংলা/এসএন/এসএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর