৬৫ বছরের ইতিহাসে এর আগে জার্মানির বিপক্ষে কখনোই জিততে পারেনি গ্রিস। এই সময়ে জার্মানির বিপক্ষে ১০ ম্যাচে গ্রিসের হার ছিল ৯টি, অপর ম্যাচ ড্র। সেই অপেক্ষার অবসান হলো অগসবুর্গে। জার্মানির বিপক্ষে ১১তম দেখায় প্রথম জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে গ্রিস।
ইউরো ২০২৮ সামনে রেখে নতুন কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের অধীনে জার্মানির ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচটিই হারতে হলো। জার্মানির একের পর এক আক্রমণ সামলে ৭৪ মিনিটে দিমিত্রিস কুরবেলিসের গোলে জয় নিশ্চিত করে গ্রিস।
দ্রুত আক্রমণের সুন্দর সমন্বয়ে গোল আদায় করে নেয় গ্রিস। ক্রিস্টোস জোলিসের তৈরি করা সুযোগ থেকে বল পেয়ে কুরবেলিস বক্সের বাইরে থেকে নিচু শট নেন। সেটি জার্মান অধিনায়ক জোশুয়া কিমিখের গায়ে লেগে দিক বদলে জালে জড়িয়ে যায়।
এর আগে পুরো ম্যাচে বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল জার্মানির কাছেই। ৭৬ শতাংশ বলের দখল ধরে রেখেছিল জার্মানি। পাস, আক্রমণ ও শট—সব দিকেই এগিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু গ্রিসের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। জার্মানির সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ান গ্রিসের গোলরক্ষক কনস্তান্তিনোস জোলাকিস। বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ নষ্ট করেন তিনি।
ক্লপ এই ম্যাচে একাদশে পাঁচটি পরিবর্তন এনেছিলেন। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ১-১ ড্র করা জার্মানি এবার হেরেই গেল। জার্মানির দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই ম্যাচে এখনো জয়ের দেখা পেলেন না ক্লপ।
গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার জন্য একের পর এক আক্রমণ সাজান ক্লপ। সার্জ গিন্যাব্রি, আন্তন স্টাখ ও হেনেস বেহরেনসকে বদলি হিসেবে নামান। কিন্তু শেষ ১৫ মিনিটেও গ্রিক রক্ষণে ফাটল ধরাতে পারেনি জার্মানি। উল্টো গ্রিসের ফোটিস ইওনিদিসের সামনে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ এসেছিল।
শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে ম্যাচ শেষ করে গ্রিস। এই জয়ে নেশনস লিগের গ্রুপ পর্বে দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে গ্রিস। নেদারল্যান্ডসের সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট, আর জার্মানি ১ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত আছে তৃতীয় স্থানে।