Saturday 03 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও স্মার্ট কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির বিকল্প নেই’

বাকৃবি করেসপন্ডেন্ট
৩ অক্টোবর ২০২৬ ২২:০৬

বক্তব্য দিচ্ছেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।

বাকৃবি: জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং স্মার্ট কৃষিব্যবস্থা গড়ে তুলতে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।

শনিবার (৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের অ্যাগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগের স্ট্যাটিস্টিক্যাল, জিআইএস অ্যান্ড ক্রপ মডেলিং ল্যাবে আয়োজিত উন্নত পর্যায়ের জিআইএস ও রিমোট সেন্সিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, ‘জিআইএস ও রিমোট সেন্সিং বিষয়ে এ ধরনের উন্নত প্রশিক্ষণ আমাদের শিক্ষক ও গবেষকদের আধুনিক গবেষণায় আরও দক্ষ করে তুলবে। এর সুফল শেষ পর্যন্ত বিশ্বমানের কৃষি গ্র্যাজুয়েট তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

বিজ্ঞাপন

উচ্চশিক্ষা ত্বরান্বিতকরণ ও রূপান্তর (HEAT) প্রকল্পের আওতায় ‘Training on Advance Level of GIS & Remote Sensing’ শীর্ষক এ প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে শনিবার সকাল ৯টায়। ছয় দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ চলবে আগামী ৮ অক্টোবর পর্যন্ত।

‘Transformation of Agricultural Education for Enhancing Quality of Agriculture Graduates’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণের লক্ষ্য আধুনিক কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় জিআইএস এবং রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষি গ্র্যাজুয়েটদের দক্ষতা ও গুণগত মান বাড়ানো।

প্রকল্পের এসপিএম অধ্যাপক ড. মাসুম আহমাদের সভাপতিত্বে এবং অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মফিজুর রহমান জাহাঙ্গীরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. হাম্মাদুর রহমান এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ উদ্দিন।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও বাকৃবির কৃষি অনুষদের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে জিআইএস ও রিমোট সেন্সিংয়ের উন্নত ব্যবহার, কৃষি গবেষণা ও শিক্ষা কার্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং দক্ষ কৃষি গ্র্যাজুয়েট তৈরির বিভিন্ন দিক গুরুত্ব পাবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ২০ জন শিক্ষক অংশ নিচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর