Sunday 11 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা গমের জাহাজ পরিদর্শনে খাদ্যমন্ত্রী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১১ অক্টোবর ২০২৬ ১৯:২২ | আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৬ ২০:১৩

– ছবি : সারাবাংলা

চট্টগ্রাম: দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে খাদ্যশস্য আমদানি, পরিবহন, সংরক্ষণ, গুণগতমান পরীক্ষা ও বিতরণের প্রতিটি পর্যায়ে সংশ্লিষ্টদের সততা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে করার আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।

রোববার (১১ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা বহির্নোঙরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা গমবাহী জাহাজ এমভি ‘স্প্রিং স্কাই’ পরিদর্শনকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

কোনো পর্যায়ে দায়িত্ব পালনে অবহেলা বা খাদ্যশস্যের মান যাচাইয়ে শৈথিল্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না- বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের খাদ্য ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেছেন উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

বিজ্ঞাপন

আমদানি করা গমের গুণগতমান যাচাইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে খাদ্য মন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত প্যারামিটার ও মানদণ্ড অনুসরণ করে খাদ্যশস্য পরীক্ষা করতে হবে। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যাতে কোনো অবস্থাতেই নিম্নমানের খাদ্যশস্য গ্রহণ বা সরবরাহের সুযোগ না থাকে।

এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সততা, পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে। কারণ, পরীক্ষার প্রতিবেদন ও মান যাচাইয়ের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, আমদানি করা খাদ্যশস্য নির্ধারিত মান বজায় রেখে যথাসময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো এবং সঠিকভাবে সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। খাদ্য ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দক্ষতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে, এখন পর্যায়ক্রমে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এজন্য কিছুটা সময় লাগবে।

খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ জনসেবামূলক দায়িত্ব। জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্রত্যেককে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেশাগত দক্ষতা, কাজের প্রতি আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।

সাধারণ মানুষের খাদ্য চাহিদা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সমস্যার কথা উল্লেখ করে আফরোজা খানম বলেন, দেশের কোনো মানুষ যেন খাদ্যসংকটে না পড়েন এবং প্রত্যেকের কাছে সময়মতো খাদ্য পৌঁছে দেওয়া যায়, সে লক্ষ্যেই সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। খাদ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী করতে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পরিদর্শনকালে খাদ্য অধিদফতর-এর মহাপরিচালক, খাদ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর