শুরুতে তাসকিন আহমেদের পেসে দিশেহারা হয়ে পরেছিল জিম্বাবুয়ে। ২৪ রানে ৩ উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ, তিনটিই তাসকিনের কল্যাণে। সেখান থেকে ব্রেন্ডন টেইলর ও ক্রেইগ আরভিনের অভিজ্ঞতায় ঘুরে দাঁড়িয়ে চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করাল জিম্বাবুয়ে।
দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়ে থেমেছেন। তাতে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে ২৭১ রানের টার্গেট দাঁড় করিয়েছে জিম্বাবুয়ে। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে এই রান তোলে আফ্রিকান দলটি।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) ১০১ বলে ৮১ রান করেন টেইলর, আরভিনের ব্যাট থেকে আসে ১০৬ বলে ৯৩। বাংলাদেশের হয়ে ৪৪ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন তাসকিন। শরিফুল ইসলামের শিকার ২ উইকেট।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে তাসকিনের সুইং ও মুভমেন্ট সামলাতে পারেননি জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডার। ব্রায়ান বেনেট ও বেন কারানকে ফেরানোর পর তাফাদজোয়া সিগাকেও সাজঘরে পাঠান এই পেসার। সপ্তম ওভারে ২৪ রানে তিন উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। তবে তারপর দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন জিম্বাবুয়ের দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার টেইলর ও আরভিন।
চতুর্থ উইকেটে দুজনের জুটি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে, জিম্বাবুয়েও শক্ত অবস্থানে যেতে থাকে। চতুর্থ উইকেটে দুজনের জুটি ছিল ১৫০ রানের। পার্টটাইম স্পিনার সাইফ হাসান অবশেষে ভাঙে এই জুটি। সাইফের বলে কাভারে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সেঞ্চুরির পথে থাকা টেইলর। ১০১ বলে ১০টি চারের সাহায্যে ৮১ রান করে ফেরেন টেইলর। এরপর সিকান্দার রাজাকেও উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানিয়ে জিম্বাবুয়েকে আবার চাপে ফেলেন সাইফ।
তবে আরভিন এগুচ্ছিলেন দারুণভাবে। ওয়েসলি মাধভেরেকে সঙ্গে নিয়ে ২৭ বলে যোগ করেন ৩৮ রান। ১৫ বলে ১৭ রান করা মাধভেরেকে ফেরান রিশাদ হোসেন। পরে সেঞ্চুরির আগে আরভিনকে ফেরান শরিফুল ইসলাম। অফ স্টাম্পের বাইরের নিচু বাউন্সে নুরুল হাসান সোহানের গ্লাভসে ধরা পড়েন আরভিন। তাঁর ১০৬ বলে ৯৩ রানের ইনিংসটি ৯টি চারের সাহায্যে গড়া।
শেষ দিকে নিউম্যান নিয়ামুরি ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজা দ্রুত কিছু রান তুলে জিম্বাবুয়েকে ২৭০ এর ওপারে নিয়েছেন। নিয়ামুরি ১৭ বলে ২১ এবং মাসাকাদজা ১৫ বলে ২১ রান করেন।