Monday 19 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

আগামী বছরের ১ এপ্রিল থেকে জাপানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট
১৯ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:৩২ | আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:০২

বাংলাদেশ জাপানের পতাকা। ফাইল ছবি

ঢাকা: কর্মসংস্থানসংক্রান্ত একটি নতুন চুক্তি ইএসডিপি-এমওসি (মেমোরেন্ডাম অব কো-অপারেশন অন এমপ্লয়মেন্ট স্কিলস ডেভেলপমেন্ট) চূড়ান্তভাবে সই ক‌রে‌ছে বাংলাদেশ ও জাপান। এই চুক্তির অধীনে আগামী ১ এপ্রিল ২০২৭ তারিখ হতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ শুরু করবে জাপান। চুক্তির প্রাথমিক মেয়াদ পাঁচ বছর। মেয়াদ শেষে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও পাঁচ বছরের জন্য বৃদ্ধি পাবে। ফলে সামগ্রিক মেয়াদ দাঁড়াবে ১০ বছর।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাপানের পক্ষে দেশটির মিনিস্ট্রি অব জাস্টিস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল পুলিশ অ্যাজেন্সির প্রতিনিধিরা এই চুক্তিতে সই করেন।

বিজ্ঞাপন

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানায়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং জাপান সরকারের প্রায় এক বছরের দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ এই চুক্তি সই হ‌য়ে‌ছে, যা বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত ক‌রে‌ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরের সময় এই চুক্তির কপি আনুষ্ঠানিকভাবে উভয়পক্ষের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। ঐতিহাসিক এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানে অভূতপূর্ব সুযোগ ও সুরক্ষা লাভ করবেন।

চুক্তিটির মূল সুবিধাগুলো তুলে ধরে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘কর্মীদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং কর্মী প্রেরণ ও গ্রহণের ক্ষেত্রে উভয়পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ঘটবে, যার ফলে কর্মীরা উচ্চ বেতন এবং জাপানে দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুযোগ পাবেন।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘এই চুক্তির আওতায় কর্মীরা জাপানি স্থানীয় শ্রমিকদের সমতুল্য আইনি সুরক্ষাপ্রাপ্ত হবেন এবং কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষ সমান সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে নারী বিদেশি কর্মীদের প্রতি গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের কারণে কোনো ধরনের চাকরিচ্যুত বা বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবে না। গর্ভধারণ বা সন্তান প্রসূতির কারণে জোরপূর্বক দেশে ফেরত পাঠানোর কোনো বাধ্যবাধকতামূলক বিধান এই চুক্তিতে রাখা হয়নি।’

এই চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুদেশের বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের পথ আরও প্রশস্ত হবে বলেও প্রত্যাশা কর‌ছেন সংশ্লিষ্টরা।

সারাবাংলা/একে/পিটিএম
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর