Tuesday 20 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ঢাকায় পৌঁছাল কম্বোডিয়ায় উদ্ধারের পর ‘বন্দি ৩০ বাংলাদেশি’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২০ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:০৩

ফেরত বাংলাদেশিদের একাংশ।

ঢাকা: কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে উদ্ধারের পর বন্দি ৩০ বাংলাদেশি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে থাই এয়ারওয়েজের TG-321 ফ্লাইটে তারা বিমানবন্দরে পৌঁছান।

দেশে ফেরা ৩০ বাংলাদেশি হলেন—মো. হারুন অর রশীদ, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, মো. তারলিব হাসান তিতুল, সুমিত চন্দ্র দাস, রাকিব হোসেন, বাপ্পি দাস, মো. লাবন শেখ, মো. আবদুর রহমান, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মোস্তফা, নূর নবী, মো. ইমন আলী, মো. বারকাতুল্লাহ, মো. রুবেল মিয়া, আলী আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, শামসুল আলম, মো. আবদুর রহমান, আবু জাহের সবুজ, শাওন, নাহিদ ঢালি, রাজু হোসেন, মো. তৈয়ব আলী শেখ, সাইমন ভূঁইয়া, মো. রাশেদুল, মো. আকাশ আহমেদ, মো. শিমুল আলী, আশিকুর রহমান, মো. আলামিন পিকে এবং মোহাম্মদ কবির।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের প্রবাসী কল্যাণ শাখা থেকে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিবকে (শ্রম) পাঠানো এক চিঠিতে এই ৩০ জনকে মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

বোর্ডের উপ-পরিচালক (আইআরপি) মোহাম্মদ জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংককে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিবকে আটক বাংলাদেশিদের মুক্তি এবং দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের মুক্ত করে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে চিঠিতে বলা হয়েছিল।

গত ৩ সেপ্টেম্বর কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেন বিমানবন্দরে দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে গেলে ইমিগ্রেশন পুলিশ ৩২ বাংলাদেশিকে আটক করে। পরে দু’জন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন দেশটির ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন।

আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে দালাল চক্রের মাধ্যমে এসব প্রবাসীদের কম্বোডিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের অনেককে জোর করে সাইবার স্ক্যামিং বা অনৈতিক অনলাইন প্রতারণা কেন্দ্রগুলোতে আটকে রাখা হয়। প্রবাসীরা সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের উপর নির্যাতনও চালানো হত। পরবর্তীতে দেশটির সরকার নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় দেশে ফেরত আসার উদ্দেশ্যে গত ৩ সেপ্টেম্বর তারা কম্বোডিয়ার বিমানবন্দরে জড়ো হন। কিন্তু ইমিগ্রেশন চেকিংয়ের সময়ে অবৈধ অবস্থান ও অন্যান্য জটিলতায় তাদের সে দেশের পুলিশ গ্রেফতার করে।

সারাবাংলা/এমএইচ/এআর
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর