Friday 23 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

টানা ছুটি ও শীতের আগমনে সবজির বাজারে স্বস্তি

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
২৩ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:৪০ | আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:৪২

টানা ছুটিতে ফাঁকা রাজধানীর কাঁচা বাজারে উঠেছে শীতকালীন সবজি শিম, ফুলকপি ও মুলা। শীতের সবজির আগমনে কমেছে কিছু সবজির দাম। ক্রেতার চেয়ে সবজির সরবরাহ বাড়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বাজারে। এছাড়া নিম্নবিত্ত মানুষের সস্তা আমিষের জোগান দেওয়া ডিমের দামও গত সপ্তাহের তুলনায় কমেছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাসাবো বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি ফুলকপি, ঝিঙা, লাউ, কচুমুখি ও পটোল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। বেগুন ও কাঁকরোলের কেজি ৮০ টাকা। শীতের আগাম জাতের মুলা ও ঢ্যাঁড়সের দামও কেজিপ্রতি ৭০ টাকা। তবে আগাম শিম কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে কেজিতে ১২০ টাকা। আর প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। বর্তমানে তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া। প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতি পিস ৭০ টাকায় বিক্রি হয়।

বিজ্ঞাপন

বাজারে কাঁচা মরিচ মানভেদে কেজিতে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাউ প্রতি পিস ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কচুরমুখি ৮০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

সবজি ক্রেতা আসিফ ইকবাল বলেন, ‘বাজারের সস্তা সবজি হচ্ছে লাউ, পেঁপে। দামি সবজি টমেটো ও শিম। শীতকালীন সবজি বাজারে আসায় কিছুটা দাম কমেছে।’

আরও ঘুরে দেখা যায়, মুরগির বাজারেও দামে তেমন পরিবর্তন নেই। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮৫ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ব্রয়লার মুরগি বিক্রেতা দিলাল বলেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই মুরগির দাম ১৮০ থেকে ১৯০ টাকার মধ্যে আছে। ১০ টাকা কমে আবার অন্য সপ্তাহে ১০ টাকা বাড়ে। ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ২০০ টাকা আশপাশে দাম থাকে। আর সোনালি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকার মধ্যে থাকে। আজকে ৩১০ টাকা কেজি বিক্রি করছি।’

তবে ডিমের দামও আগের চেয়ে ১০ টাকা ডজনে কমেছে। প্রতি ডজন ব্রাউন ১৪০ টাকা ও সাদা ১৩০ টাকা। এছাড়া হালিপ্রতি ডিম ৪৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শান্তিনগর আলিয়া ট্রেডার্সের মালিক হানিফ শেখ বলেন, ‘মুরগির ডিম প্রতিদিনই ওঠানামা করে। আজকে ব্রাউন ডিম ডজন ১৪০ টাকা আর সাদা ডিম ১৩০ টাকায় বিক্রি করছি। গত সপ্তাহে ১৫০ টাকা ডজনও বিক্রি করেছি।’

তবে গরুর মাংস আগের মতোই ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা যায়।

এদিকে মাছের বাজারের তেলাপিয়া ২৫০-৩০০, পাঙাশ ২০০-২৫০, কাতল ৩৫০-৮০০ এবং চিংড়ি ৮০০-১১০০ টাকা কেজি। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং সইল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে।

এ ছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে। তবে মাছের সাইজ ও জীবিত ও মৃতের ওপর দাম নির্ভর করে। প্রতিটি বাজারে ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিপ্রতি কমবেশি হতে পারে।

মাছ বিক্রেতা শাহ আলম বলেন, ‘মাছের দাম আগের মতোই আছে। শুক্রবার সকালের দিকে একটু দাম বেশি থাকে। বিকেলে আবার দাম কমে যাবে। আর মাছের দাম সব সময় চাহিদা ও সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। আবার জীবিত ও মৃতের ওপরও দাম ওঠানামা করে।’

সারাবাংলা/একে/এমএম
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর