Thursday 01 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

টেকনাফ মডেল থানার ওসিকে প্রত্যাহারে হাইকোর্টের রুল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৫:৫২

হাইকোর্ট। ফাইল ছবি

ঢাকা: কক্সবাজারের টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও উপ পরিদর্শক (এসআই) বদিউল আলমকে কেন প্রত্যাহার করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ বিষয়ে বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিশন কেন গঠন করা হবে না, রুলে তা জাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), কক্সবাজারের জেল সুপারসহ সাত জনকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে আইন ও সালিস কেন্দ্রের দায়ের করা এক রিটের শুনানি শেষে রোববার (১৫ ডিসেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীয় রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শাহীনুজ্জামান।

তিনি বলেন, গত ২৬ নভেম্বর রাতে কক্সবাজারের টেকনাফে বাবাকে না পেয়ে সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রকে ধরে নিয়ে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। আমরা বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে এনে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করার আবেদন করি। হাইকোর্ট বিষয়টি আমলে নিয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করে কোর্টকে অবহিত করার নির্দেশ দেন‌। এর পরের দিন কক্সবাজার আদালতের মাধ্যমে ওই শিক্ষার্থী জামিনে মুক্তি পান।

এরপর আমরা এ বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন এবং টেকনাফ মডেল থানার সংশ্লিষ্ট ওসি ও এসআইকে প্রত্যাহার করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পক্ষে হাইকোর্টে রিট দায়ের করি।

আজ ওই রিটের শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেছেন।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, গত ২৭ নভেম্বর (বুধবার) ভোরে বাবাকে না পেয়ে টেকনাফের হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে ওই শিক্ষার্থীকে অস্ত্র মামলায় আদালতে পাঠানো হয়।

কক্সবাজারের টেকনাফে থানা পুলিশের দাবি, কিশোরটির বাবা ও তার এক সহযোগীকে আটক করতে গেলে তারা পালিয়ে যান। পরে কিশোরকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছে একটি শপিং ব্যাগে বিদেশি পিস্তল, গুলি, কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে শিক্ষার্থীর পরিবার ও প্রতিবেশীরা বলছেন, যুবলীগ নেতা বাবাকে ঘরে না পেয়ে ২৭ নভেম্বর (বুধবার) ভোরে এই শিক্ষার্থীকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে ওই শিক্ষার্থীকে অস্ত্র মামলায় আদালতে পাঠানো হয়। আর পুলিশ বলছে, ভোরে রাস্তায় অভিযান চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে এই শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। এ সময় তার হাতে থাকা ব্যাগে মিলেছে বিদেশি পিস্তল ও গুলি। যদিও পুলিশের দায়ের করা মামলার দুই সাক্ষী পুলিশের বক্তব্যের ভিন্ন কথা বলেছেন।

সারাবাংলা/কেআইএফ/ইআ