Thursday 01 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

রাজস্ব খাতে অন্তর্ভূক্তসহ বিএভিএস বন্ধের ষড়যন্ত্রকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১৮ জানুয়ারি ২০২৫ ১৫:২১
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: সরকার কর্তৃক পরিচালিত বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ভলান্টারিলাইজেশন (বিএভিএস) মেটারনিটি হাসপাতাল রাজস্ব খাতে অন্তর্ভূক্ত করাসহ হাসপাতালটি বন্ধের ষড়যন্ত্রকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানের উপ-পরিচালক মো: নজরুল ইসলাম এ দাবি জানান। বিএভিএস’র কর্মকর্তা মোঃ ওয়াহিদুর রহমান ও ডা: মো: ফরিদুর রহমান প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএভিএস এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর হিসেবে আখ্যায়িত করে তাদের অপসারণসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ডা. আব্দুল মালেক, ডা. এসএম এমদাদ উল্লাহ, আজাদ শরীফ ও শাহনাজ নাজনীন বাবলীর অপসারণের দাবি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, চক্রান্তকারীরা মিরপুরের বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালের যোগসাজশে গোপনে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বিএভিএস মেটারনিটি হাসপাতাল ও এর ১৮টি শাখা বন্ধ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। বিএভিএস প্রতি মাসে ৬ হাজার রোগীর স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করে থাকে এবং হাসপাতালের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ভাতাদি গত ডিসেম্বর (২০২৪ সাল) পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়েছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা হাসপাতালের আয়াদের ভুল বুঝিয়ে, মিথ্যা কথা শিখিয়ে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাদের আন্দোলনে সম্পৃক্ত করেছে। আয়াদের সাথে বহিরাগত মহিলাদের টাকা দিয়ে আয়া সাজিয়ে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করেছে এবং আয়াদেরকে হাসপাতালের ডিউটি থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করছে। ষড়যন্ত্রকারীদের দখলদারিত্বের কারণে আগত রোগীরা বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় যে, বিএভিএস প্রধান কার্যালয়ের দুর্নীতিবাজ হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আজাদ শরীফ হাসপাতালের তহবিল থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তাই তিনি বিএভিএস বন্ধ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। বিগত ৫-৬ বছরের মেটারনিটি হাসপাতালের তহবিল অডিট করলেই তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যাবে।

সারাবাংলা/এএইচএইচ/আরএস