Sunday 27 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ওয়াজ মাহফিল থেকে অপহরণ করে মাদরাসাছাত্রী হত্যা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১০:৪৪
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

মুন্সীগঞ্জ: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ৬ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। হত্যার পর গুমের উদ্দেশ্যে দিঘীতে মরদেহ ফেলে রাখা হয়। আটকের পর রিমান্ডে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বেড়িয়ে আসে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।

এদিকে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে অভিযুক্ত আসামির বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে নিখোঁজ ছাত্রী ফাতেমা আক্তারের (৬) মরদেহ উপজেলার রশুনিয়া গ্রামের নূরানী মাদ্রাসার পাশের দিঘী থেকে উদ্ধার হয়।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে খালার সাথে বাড়ির পাশের রশুনিয়া নূরানীয়া মোহাম্মদীয়া মাদ্রাসার ১২তম ওয়াজ মাহফিলে যায় ফাতেমা। পরে সেখানে থাকবে বলে বায়না ধরলে তার খালা মাদরাসা পড়ুয়া ফাতেমার বড় ভাই ইসমাইলের কাছে তাকে রেখে আসে। কিন্তু ইসমাইল তার কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লে ফাতেমা খেলাচ্ছলে রাস্তার দিকে গিয়ে নিখোঁজ হয়।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয়রা ওয়াজ-মাহফিলের আইসক্রিম বিক্রেতা সাব্বির খানকে (২৫) সন্দেহভাজন হিসাবে আটক করে পুলিশে দেয়। এ ঘটনায় পরদিন ফাতেমার মা বিলকিস বেগম বাদী হয়ে সাব্বিরকে প্রধান অভিযুক্ত করে সিরাজদিখান থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ সাব্বিরকে আদালতে প্রেরণ করে ২ দিনের রিমান্ডে আনলে তিনি জানান, ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হলে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ গুম করতে সেটি দিঘীতে ফেলে দেয় সাব্বির। পরে তারই দেখানো দিঘী থেকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহেদ আল মামুন এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দায়েরকৃত অপহরণ মামলাটি হত্যা মামলায় রুপান্তর হবে।

সারাবাংলা/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো