গানের মঞ্চে যিনি বছরের পর বছর ধরে শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন, সেই হৃদয় খান এবার হাজির হলেন একেবারে নতুন পরিচয়ে—অভিনেতা ও পরিচালক হিসেবে। সুর আর ছন্দের বাইরে গিয়ে ভিন্ন এক গল্প বলার সাহসী প্রয়াসে তিনি তৈরি করেছেন স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ট্র্যাপড’—যা ইতোমধ্যেই ইউটিউবে মুক্তি পেয়েছে।
গান থেকে ক্যামেরার ফ্রেমে হৃদয় খান
দীর্ঘ সময় ধরে গান দিয়ে মানুষের অনুভূতিকে ছুঁয়ে যাওয়া এই শিল্পীর জন্য অভিনয় নতুন হলেও গল্প বলার জায়গাটা একেবারেই চেনা। ‘ট্র্যাপড’-এ তিনি শুধু মুখ্য চরিত্রেই অভিনয় করেননি, বরং পরিচালনার দায়িত্বও নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন মোনালিসা, যিনি চরিত্রে এনে দিয়েছেন আলাদা এক আবেগী মাত্রা।
এই শর্ট ফিল্মের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক—এর গল্প। হৃদয় খান নিজেই জানিয়েছেন, ‘ট্র্যাপড’ তার জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত। বাস্তব জীবনের অনুভূতি, দ্বন্দ্ব আর ভেতরের টানাপোড়েন মিলেই গড়ে উঠেছে এই গল্পের কাঠামো। তাই পর্দার প্রতিটি দৃশ্যে যেন সত্যিকারের জীবনের ছায়া দেখা যায়।
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি প্রসঙ্গে হৃদয় খানের ভাষ্য, অনেক সময় নিয়ে এবং যত্ন করে কাজটি তৈরি করা হয়েছে। তার প্রত্যাশা—দর্শকেরা গল্পের সঙ্গে নিজেদের মিল খুঁজে পাবেন এবং কাজটি হৃদয় দিয়ে গ্রহণ করবেন।
‘ট্র্যাপড’-এ হৃদয় খান ও মোনালিসার পাশাপাশি অভিনয় করেছেন নিউইয়র্কের স্থানীয় শিল্পীরাও। এতে গল্পের পরিসর যেমন বেড়েছে, তেমনি ভিন্ন সংস্কৃতির মেলবন্ধনে কাজটি পেয়েছে আন্তর্জাতিক এক আবহ।
গানের জগত থেকে অভিনয় ও পরিচালনায় হৃদয় খানের এই যাত্রা নিঃসন্দেহে তার ক্যারিয়ারের এক নতুন অধ্যায়। ‘ট্র্যাপড’ শুধু একটি শর্ট ফিল্ম নয়, বরং একজন শিল্পীর নিজের ভেতরের গল্প বলার এক সাহসী প্রকাশ।
দর্শকের ভালোবাসা আর প্রতিক্রিয়াই এখন বলে দেবে— এই নতুন পরিচয়ে হৃদয় খান কতটা জায়গা করে নিতে পারেন পর্দার আলো-ছায়ার জগতে