Saturday 23 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

‘বঙ্গবন্ধু’ খেতাবপ্রাপ্তি দিবসে বিশেষ নাটক


২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৫:১০ | আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৫:১১

১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি- শেখ মুজিবর রহমানের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আয়োজন করা হয় এক সভার। আয়োজক কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। সেদিন লাখো জনতার এই সম্মেলনে শেখ মুজিবর রহমানকে দেওয়া হয় ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি। এই উপাধি ঘোষণা দিয়েছিলেন তোফায়েল আহমেদ।

এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণ করে নির্মিত হলো বিশেষ নাটক ‘দিনচিরদিন’। এ ডি দুলাল-এর রচনা ও পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, সুষমা সরকার, ফারজানা রিক্তা, সূর্যদীপ্ত ও শাহরিয়ার মোতালেব। দেশ টিভিতে এই বিশেষ নাটকটি প্রচারিত হবে আজ (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে।

বিজ্ঞাপন

‘দিনচিরদিন’ নাটকের গল্পে দেখা যাবে, সাংবাদিক লেখক গবেষক মিতা, খবরের পিছনে ছোটে সব সময়, চমক দেয়াই তার চরিত্র। এমনই এক চমকের খোঁজে মিতা একা চলে এসেছে মদনপুর গ্রামে। পাহাড়ী গ্রামে উচুনিচু পথ তাই রিকশা চলাচল করেনা। হেঁটে অথবা ভটভটিতে চড়তে হয়। এখানে এইসব গাড়িকে চাঁন্দের গাড়ি বলে।

মিতার সাথে এন্ড্রয়েড মোবাইল সেট। এইসব সেটে অনেক সুবিধা। মিতা আজ বাংলাদেশের ত্রাস জঙ্গী আসলামের একমাত্র সঙ্গী রনির সাথে কথা বলবে। শর্ত মেনে নিয়েছে মিতা। পুলিশ বা তৃতীয়পক্ষ এই সংবাদ জেনে গেলে মিতাকে মেরে ফেলা হবে। মিতা ভয়হীন, সে রাজী। একাই রনির স্বাক্ষাৎকার নিতে চলে এসেছে এই দুর্গম এলাকায়।

স্বাক্ষাৎকার শেষে সে রনিকে রাজি করিয়েছে আত্মসমর্পন করার। কাজ শেষ করে সে ফিরছে এমন সময় জঙ্গী আসলামের অন্য সদস্যরা মিতার উপস্থিতি ও রনির আত্মসমর্পন করার খবর টের পায়। মিতাকে ধরে তার সব কিছু কেড়ে নিতে চেষ্টা করে। জীবনের চেয়ে তথ্য বড় তাই মিতা ঝাপিয়ে পড়ে পাহাড়ি নদীতে। সাতরাতে গিয়ে মিতা নিজেকে সামলাতে পারেনি। হারিয়ে গেছে তার মোবাইল সেট। একরাশ হতাশা নিয়ে রাতের অন্ধকারে সে হাতরে হাতরে অজানা পথে এগিয়ে যায়। এখান থেকেই নাটকের শুরু।

মিতা নিঃশব্দে গিয়ে দাঁড়ায় কুটিরের কাছে। কাঠের জানালায় চোখ রাখে, মিতা দেখতে পায় বঙ্গবন্ধুর ছবি। এই ছবি মিতাকে বিপদমুক্ত হবার সংকেত দেয়। মিতার আশঙ্কা দূর হয়। সে ভুল জায়গায় আসেনি, বরং বিপদ তাকে হয়ত নতুন কোন তথ্য দিবে। আশায় বুক বেঁধে মিতা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ডাক দেয়।

ভিতর থেকে দেবদাস সাহা দরজা খুলে দেয়। মিতা মুহুর্তের মধ্যে দেবদাসের সাথে মিশে যায়, তার বিশ্বাস বঙ্গবন্ধুর সৈনিকদের কাছে বিপদের কিছু নেই, বরং তাদেরকাছে দেশ জাতি প্রতিটি নাগরিক নিরাপদ। দেবদাসের জীবনযাপনের নানা তথ্য যোগাড় করা শুরু করে মিতা। মিতার সাথে গল্পেগল্পে রাত কেটে যায় দেবদাসের, মিতা জানে তার অজানা বঙ্গবন্ধুর জীবনকাহিনীর অনেক তথ্য। ভিন্নমতাবলম্বীদের সাথে বঙ্গবন্ধুর সম্পর্ক, অসাম্প্রদায়িক বঙ্গবন্ধুর চরিত্র। দেবদাস ভোরে মিতাকে বিদায় জানায় “জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলে”। মিতা কিন্তু খালি হাতে ফিরল না, চমক নিয়েই ফিরল।