শীতের সকালে বিছানা ছাড়তেই যখন মন চায় না, তখন কল্পনা করুন—গরম পানিতে ভরা বাথটাব, তার ওপর সাদা ফেনার পাহাড়, পাশে প্রিয় গান বা এক কাপ কফি। এই বিলাসী কল্পনাটারই একটা অজুহাত এনে দেয় ৮ জানুয়ারি— বাবল বাথ ডে।
এই দিনটি কোনো জাতিসংঘ ঘোষিত দিবস না, কোনো রাষ্ট্রীয় ছুটিও নয়। তবু বিশ্বজুড়ে অনেকেই দিনটিকে উদযাপন করে নিছক আনন্দের জন্য। কারণ, কখনো কখনো মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে এমনই ছোট ছোট আনন্দ।
ফেনার দর্শন একধরনের মেডিটেশন
বাবল বাথ শুধু শরীর পরিষ্কার করার কাজ নয়—এটা যেন আধুনিক মানুষের স্ট্রেস-থেরাপি…
গরম পানি পেশি শিথিল করে,
ফেনা চোখে পড়ে নরম সুখ,
কয়েক মিনিটের নীরবতা মাথার ভেতরের কোলাহল কমায়,
অনেকে বলেন, বাবল বাথ হলো এমন এক জায়গা, যেখানে মোবাইলও কিছুক্ষণ চুপ থাকে।
কেন জানুয়ারি?
জানুয়ারির শীত, কাজের চাপ, নতুন বছরের রেজল্যুশনের বোঝা—সব মিলিয়ে মনটা একটু ভারী থাকে। তাই বছরের শুরুতেই মানুষকে একটু নিজের যত্ন নিতে মনে করিয়ে দিতেই এই দিবসের জন্ম।
বাথটাব না থাকলে কী করবেন?
বাংলাদেশে অনেকেরই বাথটাব নেই— কিন্তু দুঃখ নেই!
গরম পানির বালতি, একটু সুগন্ধি সাবান বা শ্যাম্পু, দরজা বন্ধ, ফোন সাইলেন্ট— ব্যস! আপনার নিজের মতো করে বানিয়ে নিন ‘দেশি বাবল বাথ’
শেষ কথা
বাবল বাথ ডে আমাদের শেখায়— সব আনন্দ বড় অর্জনে লুকিয়ে থাকে না। কখনো কখনো ফেনার ভেতরেই পাওয়া যায় শান্তি। তাই ৮ জানুয়ারি যদি কেউ জিজ্ঞেস করে, ‘আজ কী বিশেষ দিন?’ হেসে বলুন, আজ নিজের জন্য একটু ফেনায় ডুবে থাকার দিন!