কাঠফাটা রোদ সেঁকে চামড়া | ছবি
২৩ এপ্রিল ২০২৪ ১২:৪৫ | আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৪ ১৪:৪৬
‘মে দিনের কবিতা’য় কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় লিখেছেন— ‘প্রিয়, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য/ ধ্বংসের মুখোমুখি আমরা,/ চোখে আর স্বপ্নের নেই নীল মদ্য/ কাঠফাটা রোদ সেঁকে চামড়া।’ কবি যে প্রেক্ষাপটে লিখেছিলেন, সেই প্রেক্ষাপট না হলেও দেশে তাপপ্রবাহ যেভাবে টানা বয়ে যাচ্ছে, তাতে আক্ষরিক অর্থেই কাঠফাটা রোদে চামড়া পুড়ে যাওয়ার দশা!
বৈশাখের শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বইছে তাপপ্রবাহ। কোথাও মৃদু, কোথাও তীব্র, কোথাও কোথাও অতি তীব্র তাপপ্রবাহও বইছে। রাজধানী ঢাকাতেও তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি পর্যন্ত উঠেছে। তাতে জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠে গেছে। কিন্তু তাপের এই তীব্রতাতেও ঘরে বসে থাকার উপায় নেই কায়িক পরিশ্রমে নিযুক্ত শ্রমজীবীদের। শরীরের চাকা না ঘুরলে যে তাদের ঘরে চুলা জ্বালানো দায়!
রাজধানী ঘুরে এমন শ্রমজীবীদের ছবি তুলেছেন সারাবাংলার সিনিয়র ফটো করেসপন্ডেন্ট হাবিবুর রহমান
- তীব্র রোদের মধ্যে রিকশায় যাত্রী টেনে নিয়ে যাচ্ছেন এক চালক।
- শরীর না চললেও রিকশা চালিয়ে নিতেই হবে।
- খরতাপে পানিতে তৃষ্ণা নিবারণের চেষ্টা।
- দোয়েল চত্বরে পানির ঝরনা কি আশপাশ দিয়ে যাতায়াত করা এসব ভ্যান-রিকশায় কিছুটা হলেও স্বস্তি দেয়?
- শরীর ঠেলে ব্রিজের ঢাল বেয়ে তুলতে হয় মালামাল বহনকারী ভ্যান।
- বাবুবাজার ব্রিজের এই ঢাল ঠেলে মালামাল ওঠানো অত্যন্ত শ্রমসাধ্য।
- বাবুবাজার ব্রিজের এই ঢাল ঠেলে মালামাল ওঠানো অত্যন্ত শ্রমসাধ্য।
- ভারী ওজনের মালামালের ভ্যানগুলো টেনে নিতে প্রাণান্ত পরিশ্রম করতে হয়।
- সদরঘাটের নৌকাগুলোও তীব্র রোদের মধ্যে থেমে নেই। সেখানে বেড়েছে ছাতার কদর।
- তাপপ্রবাহের মধ্যে একটু পানির ঝাপটাও যেন স্বস্তি নিয়ে আসে।