পটুয়াখালী: সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি ২০২৬) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সম্মেলন কক্ষে এ শোকসভার আয়োজন করা হয়।
পবিপ্রবি ইউট্যাব, জিয়া পরিষদ, ছাত্রদল এবং জাতীয়তাবাদী কর্মচারীবৃন্দের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন, তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক অনন্য প্রতীক। স্বৈরশাসন ও দমন-পীড়নের মুখেও তিনি আপসহীন থেকে জনগণের অধিকার ও ভোটাধিকার রক্ষায় নিরলস সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সাহসিকতা ও ত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই দেশ ও জাতির প্রতি তার অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
প্রধান অতিথি, গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও কর্ম স্মরণ করেন এবং তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে কাজ করার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর মো. জামাল হোসেন, পবিপ্রবি জিয়া পরিষদের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক এবং সাধারণ সম্পাদক হাসিব মো. তুসার। বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তার ভূমিকা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় তার অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন পবিপ্রবি ইউট্যাবের সভাপতি মামুন অর রশিদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম। আলোচনা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন, পবিপ্রবির কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুছ।
শোকসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ আতিকুর রহমান, প্রক্টর প্রফেসর আবুল বাশার খান, সিএসই অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. খোকন হোসেন, ফিশারিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সাজেদুল হক, প্রফেসর মো. জহুরুল হক, সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো. মাহফুজুর রহমান সবুজ, পরিচালক (শরীরচর্চা) ড. মো. আমিনুল ইসলাম টিটো, মো. রিয়াজ কাঞ্চন শহীদসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।