বেনাপোল: স্থলবন্দর দিয়ে ৪টি চালানের মাধ্যমে ৫১০ মেট্রিকটন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে ১৪টি ট্রাকে আমদানি করা চালের এসব চালান বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইর্য়াডে প্রবেশ করে। চাল আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম এন্ড সন্স। আমদানি করা চাল ছাড় করণেরর জন্য কাজ করছেন সিঅ্যান্ডএফ অ্যাজেন্ট মের্সাস ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ।
বন্দর সূত্র জানায়, গত বছরের নভেম্বর মাসে এই বন্দর দিয়ে সর্বশেষ চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিকটন। গত ১৮ জানুয়ারি-২০২৬ পুনরায় ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিকটন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। যা সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৩ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানিকৃত চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে।
সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট মেসার্স ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি বাবলুর রহমান বলেন, চাল আমদানির শুরু থেকেই আমরা কাস্টমস হাউসে চাল ছাড়করণের জন্য কাজ করে আসছি। ভারত থেকে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে ৫১০ মেট্রিকটন চাল আমদানি হয়েছে। আমদানিকৃত চাল ছাড়করনের জন্য বেনাপোল কাস্টমস হাউসে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সাবমিট করেছি। আশা করি দ্রুতই চাল ছাড়করনের ক্লিয়ারেন্স হাতে পাব।
বেনাপোল বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানান, গত বছরের নভেম্বর মাসে এই বন্দর দিয়ে সর্বশেষ চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিকটন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে চার চালানে ৫১০ মেট্রিকটন চাল আমদানি হয়েছে। আমদানিকৃত চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।