টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইল সদর (৫) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আহসান হাবীব মাসুদের সমর্থনে ১১ দলীয় জোটের যৌথ ঘোষণা এবং নির্বাচনি কাজে বিএনপির হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি ) সকাল ১১ টায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের হল রুমে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ১১ দলীয় জোটের সদর আসন নির্বাচন কমিটির উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
যৌথ ঘোষণার পর সদর আসনের ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী আহসান হাবীব মাসুদ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিএনপি কর্তৃক জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন।
বিশেষ করে গত ২৬ জানুয়ারি গোপালপুর উপজেলায় মহিলা জামায়াতের কর্মীদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে প্রশাসনের কাছে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানান।
টাঙ্গাইল সদর, গোপালপুর, ধনবাড়ি, ঘাটাইল ভূঞাপুর, কালিহাতীসহ প্রতিটি উপজেলায় বিএনপির পদধারী নেতাদের নাম উল্লেখ করে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেন।
প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আহসান হাবীব মাসুদ বলেন, প্রত্যেক উপজেলায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, মামলাও করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।
আহসান হাবীব মাসুদ আরও বলেন, এভাবে নির্বাচনি কাজে বাধা দিলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তো আর থাকলো না। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বানচাল করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ১১ দলীয় জোট কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। প্রশাসন যদি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেয় তাহলে ১১ দলীয় জোট বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে ; সুতরাং আর কেউ ফ্যাসিবাদের আমদানি করতে চাইলে তা শক্ত হাতে প্রতিরোধ করা হবে ইনশাআল্লাহ।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের জেলা সাংগঠনিক সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম, এনসিপির জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান শাওন, সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান রাসেল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সহসভাপতি মাও. আব্দুর রহিম, সেক্রেটারি মাও. কামরুল হাসান, খেলাফত মজলিসের জেলা সহসভাপতি মুফতি আব্দুর রহমান মাদানি, সেক্রেটারি মাও. শহীদুল ইসলাম, এবি পার্টির জেলা সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন খালিদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাও. জায়েদ হাবিব, শহর জামায়াতের আমির অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।