Friday 30 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে প্রার্থীকে হেনস্তা-হামলার অভিযোগ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ০০:১৫

হেনস্তা-হামলার অভিয়োগ উঠেছে বিএনপির নেতার্কমীদের বিরুদ্ধে

শরীয়তপুর: শরীয়তপুরে ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠান চলাকালে সুপ্রিম পার্টির প্রার্থীকে হেনস্তা ও বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে শরীয়তপুর সরকারি কলেজ মাঠে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত ‘জনগণের মুখোমুখি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর সরকারি কলেজ মাঠে ‘জনগণের মুখোমুখি’ নামের এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। এতে অংশ নেয় শরীয়তপুর-১ আসনের আট সংসদ সদস্য প্রার্থী। তারা নিজেদের ভাবনা তুলে ধরেন এবং উপস্থিত ভোটারদের প্রশ্নের জবাব দেন। এ সময় ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন ছিল এমন মন্তব্যকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি মনোনীত প্রার্থীকে হেনস্তা করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাহমুদ পারভেজের ওপর হামলা চালায় স্থানীয় বিএনপি নেতারা। পরে পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী নুর মোহাম্মদ মিয়া বলেন, আজকের ঘটনাটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। আমরা নির্বাচনে যেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের কথা বলছি তারা মানছে না। এমন ঘটনা ঘটলে আমরা কীভাবে নির্বাচনের মাঠে থাকব? ওনার (বিএনপির প্রার্থী) কথা ওনি বলবে। আমি সেখানে দুর্নীতির কথা বলেছি। দুর্নীতির সমস্যা সমাধানে কাজ করব সেই কথা বলেছি। তারা যদি এভাবে বাধা দেয় তাহলে ভাববো তারা দুর্নীতির পক্ষে।

শরীয়তপুর- ১ আসনের গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, একজন প্রার্থী তার মতামত ব্যক্ত করতেই পারেন। ভুল কিছু বললে জবাবদিহি করা যেতে পারে, কিন্তু তাকে হেনস্তা করা কাম্য নয়। একজন জুলাই যোদ্ধার সঙ্গে এ ধরনের ঘটনায় আমি মর্মাহত, শংঙ্কিত, কি হবে আগামীর বাংলাদেশে।

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম বলেন, ভোটাররা কোনো দল বা ব্যক্তিকে দোষারোপ নয়, বরং তথ্যভিত্তিক আলোচনা প্রত্যাশা করেছিলেন। তিনি যা বলেছিলেন তা তথ্যভিত্তিক না হওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে ঘটনাটি দুঃখজনক এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, সেটাই সবার প্রত্যাশা।

এ ব্যাপারে পালং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ আলম বলেন, আমি ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলাম। কিছুটা হট্টগোল হয়েছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি শান্ত করেছি। এ ব্যাপারে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর