রাজবাড়ী: ৯ম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে রাজবাড়ীতে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে বিক্ষোভ করেছেন রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারীরা।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজবাড়ী ২ নম্বর রেলগেটসংলগ্ন রেল লাইনে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদ রাজবাড়ী জেলা শাখা।
এ সময় সুন্দরবন এক্সপ্রেসের একটি ট্রেন এলে তারা ১৫ মিনিট ট্রেনটি আটকে রেখেই বিক্ষোভ করে। এরপর তারা বিক্ষোভ মিছিল করতে করতে রাজবাড়ী রেলওয়ে স্টেশন আসে। মিছিলে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয় বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সদস্যরা।

বিক্ষোভ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদ রাজবাড়ী জেলা শাখার সভাপতি সেকেন পাট্টাদার সভাপতি ও বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন রাজবাড়ী জেলা শাখার ইকবাল হোসেন। এ সময় রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারীসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, অন্তবর্তী সরকার আমাদের প্রথম থেকে পে-স্কেল দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আসছিল। পে-স্কেল দেওয়ার জন্য পে-কমিশন গঠনও করে। কিন্তু তারা তা বাস্তবায়ন করেননি। সারা বাংলাদেশে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন স্কেল নিয়ে বাহানা করা হচ্ছে। আমাদের যে বেতন স্কেল দেওয়া হচ্ছে সেটি ২০১৫ সালের নিয়ম অনুযায়ী। কিন্তু এর ধারাবাহিকতা হচ্ছে পাঁচ বছর পর পর পে স্কেল দেওয়া।
তারা আরও বলেন, ২০১৫ সাল থেকে আজ ২০২৬ সাল ১১বছর আমাদের আগের পে-স্কেল দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু দ্রব্যমূল্যোর দাম কয়েক ধাপ অনুযায়ী বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু আমাদের বেতন বাড়ছে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাপন চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আজ আমরা নেমেছি আমাদের পে স্কেল আদায়ের জন্য। এই পে স্কেলটা হচ্ছে আমাদের অস্তিত্বের লড়াই। যদি আমাদের দাবি মেনে নেওয়া না হয় তাহলে কঠোর আন্দোলনে নামব।